০৪:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চান্দিনার ২৭ দোকান-পাট উচ্ছেদ করে সরকারি জায়গা উদ্ধার

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : ১১:০০:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫
  • ১০৭ টাইম ভিউ

চান্দিনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি : কুমিল্লার চান্দিনায় যানবাহন চলাচলের রাস্তা ও সরকারি জায়গা দখল করে পাকা ভবনসহ অস্থায়ী দোকানপাট নির্মাণের অভিযোগে উচ্ছেদ অভিযান চালায় ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) দুপুর থেকে বিকাল পর্যন্ত উপজেলার গল্লাই ইউনিয়নের কংগাই বাজার এলাকায় ওই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফয়সাল আল নুর। এতে চান্দিনা থানা পুলিশ ও সেনাবাহিনীর একটি দল ভ্রাম্যমাণ আদালতকে সহযোগিতা করেন।

ওই ২৭টি দোকানঘরের মধ্যে মুদি, স্টেশনারি, হার্ডওয়্যার, ফার্মেসী, টিনের দোকান, মাংস ও ফল দোকানসহ ওয়ার্ড বিএনপি’র একটি রাজনৈতিক অফিসও রয়েছে। এতে প্রায় ৭০ শতাংশ সরকারি খাস জমি উদ্ধার করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফয়সাল আল নুর জানান- সরকারি নির্দেশনায় খাস জায়গা উদ্ধার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আমরা গল্লাই ইউনিয়নের কংগাই বাজারে অভিযান পরিচালনা করি। সার্ভেয়ারের মাধ্যমে জায়গা পরিমাপের করে আমরা খাস জায়গা চিহ্নিত করি। যারা দীর্ঘদিন যাবৎ সরকারি জায়গা দখল করে পাকা ভবনসহ দোকানপাট নির্মাণ করে রেখেছিলেন তাদেরকে একাধিকবার চিঠি দেই। তারপরও তারা স্বেচ্ছায় দোকান-পাট সরিয়ে না নেয়ায় আমরা অভিযান পরিচালনা করে সরকারের খাস জমি উদ্ধার করি। উপজেলা জুড়ে এমন উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ট্যাগ:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে

ছয় দিন ধরে বন্ধ চার চা বাগান, ডিসির কাছে শ্রমিকদের স্মারকলিপি

চান্দিনার ২৭ দোকান-পাট উচ্ছেদ করে সরকারি জায়গা উদ্ধার

আপডেটের সময় : ১১:০০:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫

চান্দিনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি : কুমিল্লার চান্দিনায় যানবাহন চলাচলের রাস্তা ও সরকারি জায়গা দখল করে পাকা ভবনসহ অস্থায়ী দোকানপাট নির্মাণের অভিযোগে উচ্ছেদ অভিযান চালায় ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) দুপুর থেকে বিকাল পর্যন্ত উপজেলার গল্লাই ইউনিয়নের কংগাই বাজার এলাকায় ওই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফয়সাল আল নুর। এতে চান্দিনা থানা পুলিশ ও সেনাবাহিনীর একটি দল ভ্রাম্যমাণ আদালতকে সহযোগিতা করেন।

ওই ২৭টি দোকানঘরের মধ্যে মুদি, স্টেশনারি, হার্ডওয়্যার, ফার্মেসী, টিনের দোকান, মাংস ও ফল দোকানসহ ওয়ার্ড বিএনপি’র একটি রাজনৈতিক অফিসও রয়েছে। এতে প্রায় ৭০ শতাংশ সরকারি খাস জমি উদ্ধার করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফয়সাল আল নুর জানান- সরকারি নির্দেশনায় খাস জায়গা উদ্ধার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আমরা গল্লাই ইউনিয়নের কংগাই বাজারে অভিযান পরিচালনা করি। সার্ভেয়ারের মাধ্যমে জায়গা পরিমাপের করে আমরা খাস জায়গা চিহ্নিত করি। যারা দীর্ঘদিন যাবৎ সরকারি জায়গা দখল করে পাকা ভবনসহ দোকানপাট নির্মাণ করে রেখেছিলেন তাদেরকে একাধিকবার চিঠি দেই। তারপরও তারা স্বেচ্ছায় দোকান-পাট সরিয়ে না নেয়ায় আমরা অভিযান পরিচালনা করে সরকারের খাস জমি উদ্ধার করি। উপজেলা জুড়ে এমন উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে।