
তারিকুল ইসলাম, নাসিরনগর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া : রহমতে আলম মহানবী হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা সাঃ এর পবিত্র জন্মদিন ঈদে মিলাদুন্নবী সাঃ উপলক্ষে ঐতিহ্যবাহী ফান্দাউক দরবার শরীফে আয়োজিত হলো এক ব্যতিক্রমধর্মী ও বরকতময় বিশাল র্যালি। দরবার শরীফের পীর ও বাংলাদেশ আঞ্জুমানে খাদিমুল ইসলামের আমীর আলহাজ্ব মাওলানা মুফতী সৈয়দ ছালেহ আহমাদ মামুন আল-হোসাইনীর তত্ত্বাবধানে পীরজাদা মুফতী সৈয়দ মঈনুদ্দিন আহমাদ আল-হোসাইনীর সরাসরি নেতৃত্বে র্যালিটি জুমার নামাজ পরবর্তী সময়ে শুরু হয় এবং ফান্দাউক বাজার ও আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ সড়কসমূহ ঘুরে পুনরায় দরবার প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়।
বিশাল এ র্যালিতে আশপাশের এলাকা থেকে হাজারো আশেকান, মুরিদ, আলেম-উলামা, তরুণ সমাজ ও ধর্মপ্রাণ সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন। রাসূলুল্লাহ সাঃ কে কেন্দ্র করে লেখা ব্যানার, পতাকা ও ক্যালিগ্রাফি ছিল চোখে পড়ার মতো। সমবেত কণ্ঠে নবীজীর শানে বিভিন্ন ধ্বনিতে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে ফান্দাউকের আকাশ-বাতাস।
পীর সাহেব তাঁর সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন—এই র্যালি কোনো আনুষ্ঠানিকতা নয়; বরং নবীজীর প্রেম, আদর্শ ও অনুসরণের এক নিঃশব্দ অঙ্গীকার। রাসূলুল্লাহ সাঃ ই আমাদের আদর্শ, তাঁর চরিত্র ও সুন্নাহই আমাদের পথনির্দেশক। এমন আয়োজনে আমরা নবীর প্রেমে উদ্বুদ্ধ হই, ঈমানের রং গাঢ় হয়।
র্যালি শেষে দরবার প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয় দোয়া মাহফিল, মিলাদ শরীফ ও বিশেষ মুনাজাত করেন দরবার শরীফের পীর আলহাজ্ব মাওলানা মুফতী সৈয়দ ছালেহ আহমাদ মামুন আল-হোসাইনী। যেখানে দেশ ও জাতির কল্যাণ, মুসলিম উম্মাহর ঐক্য এবং নবীর উম্মত হিসেবে জীবনে তাঁর আদর্শ বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করা হয়।
উল্লেখ্য পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী সাঃ উদযাপন উপলক্ষে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও শুক্রবার দিবাগত রাতব্যাপী ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। এতে দেশবরেণ্য উলামায়ে কেরামগন নবীজীর মিলাদ ও সীরাত নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা পেশ করবেন।
রিপোর্টারের নাম 









