০২:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইকুরিয়া বিআরটিএ অফিসে চলে এডি মামুনের একচ্ছত্র আধিপত্য

  • সহিদুল ইসলাম
  • আপডেটের সময় : ০২:১৯:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫
  • ৬১৫ টাইম ভিউ

সহিদুল ইসলাম : বিআরটিএ ঢাকা জেলার ইকুরিয়া, কেরানীগঞ্জ’র (সাভার গাবতলী সেন্টারের দায়িত্বপ্রাপ্ত) সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন এর স্বেচ্ছাচারিতা ও ঘুষ বাণিজ্যে অতিষ্ট সেবাগ্রহীতারা। ইকুরিয়া বিআরটিএ অফিসে তিনি দীর্ঘদিন যাবত একচেটিয়া রাজত্ব করে যাচ্ছেন। তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, আওয়ামী লীগ এর দোসর ২৪ এর গণ আন্দোলনের বিরোধী শক্তি এডি মামুন এর কাছে ঘুষ ছাড়া কোন কাজ সম্পন্ন করা খুবই কষ্টের।

তিনি ইকুরিয়া বিআরটিএ কার্যালয়ে বসে এমনভাবে তার ক্ষমতার জাল বিছিয়ে রেখেছেন যে তার অপকর্মের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে অনেকেই ভয় পায়। টাকার বিনিময়ে অকৃতকার্য ড্রাইভিং লাইসেন্সগুলো কৃতকার্য করে দেয়া, ফিটনেস, মালিকানা বদলি সহ পরিবহন সেক্টরে যত ধরনের কাজ আছে টাকার বিনিময়ে তার কাছে সব সমাধান হয়ে যায়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই জানিয়েছেন, লাইসেন্স করতে দূর দূরান্ত থেকে আশা ড্রাইভারদের পকেট কেটে ঘুষ বাণিজ্য করাই মামুনের কাজ। মামুনের রয়েছে বিশাল দালাল বাহিনী, এদের মাধ্যমে সিন্ডিকেট তৈরী করে এডি মামুন। যাদের মাধ্যমে তিনি সেবাগ্রহীতাদের ম্যানেজ করে অনৈতিকভাবে কার্য সমাধান করে থাকেন। আড়াই থেকে তিন হাজার টাকার কমে কোন পরীক্ষার্থী কৃতকার্য হতে পারেন না তার অধীনে। বিআরটিএতে চাকরি করে অবৈধ পথে গড়ে তুলেছেন টাকার পাহাড়। তথ্য অনুসন্ধানে আরো জানা যায় এ অবৈধ টাকার ভাগ উর্ধ্বতন কর্মকর্তা পর্যন্ত পৌঁছে যায়। তাই তারা মামুনের অপকর্মের তথ্য জেনেও নেননা কোন প্রকার আইনী পদক্ষেপ। তাই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের উচিত অচিরেই এ ব্যাপারে নজর দেওয়া।

ট্যাগ:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে

ছয় দিন ধরে বন্ধ চার চা বাগান, ডিসির কাছে শ্রমিকদের স্মারকলিপি

ইকুরিয়া বিআরটিএ অফিসে চলে এডি মামুনের একচ্ছত্র আধিপত্য

আপডেটের সময় : ০২:১৯:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫

সহিদুল ইসলাম : বিআরটিএ ঢাকা জেলার ইকুরিয়া, কেরানীগঞ্জ’র (সাভার গাবতলী সেন্টারের দায়িত্বপ্রাপ্ত) সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন এর স্বেচ্ছাচারিতা ও ঘুষ বাণিজ্যে অতিষ্ট সেবাগ্রহীতারা। ইকুরিয়া বিআরটিএ অফিসে তিনি দীর্ঘদিন যাবত একচেটিয়া রাজত্ব করে যাচ্ছেন। তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, আওয়ামী লীগ এর দোসর ২৪ এর গণ আন্দোলনের বিরোধী শক্তি এডি মামুন এর কাছে ঘুষ ছাড়া কোন কাজ সম্পন্ন করা খুবই কষ্টের।

তিনি ইকুরিয়া বিআরটিএ কার্যালয়ে বসে এমনভাবে তার ক্ষমতার জাল বিছিয়ে রেখেছেন যে তার অপকর্মের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে অনেকেই ভয় পায়। টাকার বিনিময়ে অকৃতকার্য ড্রাইভিং লাইসেন্সগুলো কৃতকার্য করে দেয়া, ফিটনেস, মালিকানা বদলি সহ পরিবহন সেক্টরে যত ধরনের কাজ আছে টাকার বিনিময়ে তার কাছে সব সমাধান হয়ে যায়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই জানিয়েছেন, লাইসেন্স করতে দূর দূরান্ত থেকে আশা ড্রাইভারদের পকেট কেটে ঘুষ বাণিজ্য করাই মামুনের কাজ। মামুনের রয়েছে বিশাল দালাল বাহিনী, এদের মাধ্যমে সিন্ডিকেট তৈরী করে এডি মামুন। যাদের মাধ্যমে তিনি সেবাগ্রহীতাদের ম্যানেজ করে অনৈতিকভাবে কার্য সমাধান করে থাকেন। আড়াই থেকে তিন হাজার টাকার কমে কোন পরীক্ষার্থী কৃতকার্য হতে পারেন না তার অধীনে। বিআরটিএতে চাকরি করে অবৈধ পথে গড়ে তুলেছেন টাকার পাহাড়। তথ্য অনুসন্ধানে আরো জানা যায় এ অবৈধ টাকার ভাগ উর্ধ্বতন কর্মকর্তা পর্যন্ত পৌঁছে যায়। তাই তারা মামুনের অপকর্মের তথ্য জেনেও নেননা কোন প্রকার আইনী পদক্ষেপ। তাই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের উচিত অচিরেই এ ব্যাপারে নজর দেওয়া।