০২:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গফরগাঁও ভূমি অফিসে অবৈধ অর্থের বিনিময়ে জাল দলিল কে বৈধ দলিল বলে স্বীকৃতি এবং নামজারি বাতিল

অপরাধ প্রতিবেদক : গফরগাঁও উপজেলার ভূমি অফিসে বিগত ৫ জানুয়ারি ২০২৩ লংগাইর ইউনিয়নের মৃত রিয়াজ উদ্দিন এর ছেলে মোঃ নিজাম উদ্দিন সাবেক সহকারী কমিশনার ভূমি,গফরগাঁও বরাবর অভিযোগ দায়ের করেন শোলশাপ মৌজার বি আর এস ৪৩ নং দাগের চৌহদ্দি ভুক্ত সম্পত্তি বিগত ২০১৯ ইং সনে ৩২৫৬ নং সাফ কবলা দলিল মূলে ৫১০০ একর (পাঁচ হাজার একশত একর) মাত্র জমি বিবাদীর নিকট হতে ক্রয় করছেন এবং নামজারি মোকদ্দমা নং ১৯০(IX-I) ২২-২৩ ইং মূলে হওয়া নামজারি জমাভাগ নং:৫৮৪(IX-I)২২-২৩ ইং ও নামজারি খতিয়ান নং: ১৪৭ বাতিলের জন্য অভিযোগ দায়ের করেন। তবে মোঃ নিজাম উদ্দিন এর অভিযোগটি গফরগাঁও উপজেলা ভূমি অফিস কর্তৃপক্ষ আমলে নিয়া যাহার স্মারক নং-২১, তারিখ: ০৫/০১/২০২৩ ইং মূলে তদন্তের জন্য লংগাইর ইউনিয়ন তুমি অফিস এর উপ সহকারী কর্মকর্তা মোঃ ফরিদ আহাম্মদ কে তদন্তের জন্য আদেশ প্রদান করেন। নাইব মোঃ ফরিদ আহাম্মদ আগে থেকেই বাদী মোঃ নিজাম উদ্দিন এর সাথে যুগসাজস থাকায় বিবাদী কে অবগত না করিয়া অতি গোপনে বাদী মোঃনিজাম উদ্দিন এর দেওয়া অবৈধ অর্থের বিনিময়ে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে জাল দলিল তৈরি করে বিগত ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ইং স্মারক নং: ২৭ মূলে বাদী মোঃ নিজাম উদ্দিন এর দায়ের করা অভিযুগে উল্লেখ ৩২৫৬ নং জাল দলিল মূলে মালিকানা দাবী কে সত্য ও সঠিক বলে স্বীকৃতি দিয়ে বিগত ২০১৯ সনের ৩২৫৬ নং জাল দলিল এর কপি সংযুক্ত করে বৈধ ও সঠিক দলিল বলে স্বীকৃতি দিয়ে বিবাদীর নামজারী বাতিল করার জন্য অসৎ, দুর্নীতিবাজ নাইব মোঃ ফরিদ আহাম্মদ সহকারী কমিশনার ভূমি বরাবর তদন্তের আদেশ পাওয়ার ২ সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিয়া বিবাদীকে অবগত না করে নামজারি বাতিলের জন্য সহকারী কমিশনার ভূমি বরাবর সুপারিশ করেন। অথচ লংগাইর ইউনিয়ন তুমি অফিস সহ সতর বাড়ী গ্রামের সকল প্রতিষ্ঠানের সম্পদ ও অর্থ দাতা বিবাদীর বাবা কিন্তু নাইব মোঃ ফরিদ নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে বিবাদীকে অবগত না করে অতি গোপনে প্রতিবেদন জমা দেন। এ পরিবারের সাথে নাইব মোঃ ফরিদ আহাম্মদ প্রতারণা করেছেন মর্মে বিভিন্ন মহলে এবং বর্তমান ভূমি অফিস কর্মকর্তাদের মধ্যে ও নিন্দার ঝড় উঠেছে মনে জানাযায়। পরবর্তীতে সহকারী কমিশনার ভূমি, গফরগাঁও তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার ২ মাস পর বিবাদীর নামে নোটিশ ইস্যু করলে বিবাদী নোটিশ পাওয়ার ধার্য তারিখে বাদীর অভিযুগ ও নাইব এর দেওয়া প্রতিবেদন উত্তোলন করে লিখিত ভাবে জবাব দাখিল করেন তৎসহ প্রমাণ পত্র উপস্থাপন করেন। বিবাদী পক্ষ বলেন ৩২৫৬ নং দলিল মূলে বিবাদী বাদী মোঃ নিজাম উদ্দিন এর নিকট সৌলশাপ মৌজার ৪৩ নং দাগের চৌহদ্দি ভুক্ত ওয়ারিশ সম্পত্তি ২০১৯ সনে ৫ হাজার ১ শত একর বিক্রয় করেন নি এবং ৩২৫৬ নং দলিলটি জাল, যাহা রেজিস্ট্রি অফিস লিখিত ভাবে অবগত করেছেন তৎ প্রমাণ সংযুক্ত।

এ ছাড়া বিবাদী ৪৩ নং দাগের সম্পত্তি ওয়ারিশ ত্রে ২০২২ সনে প্রাপ্ত হয়ে বিগত ২২-২৩ সনে নামজারি জমাভাগ মূলে মালিকানা প্রাপ্ত হন, সেখানে ২০১৯ সনে অত্র ওয়ারিশ সম্পত্তি বিক্রয় করার কোন সুযোগ নাই অর্থাৎ ৩২৫৬ নং দলিলটি জাল এবং অত্র দলিলে বিবাদী তথা জমির মালিক কোন সহি সাক্ষর করেন নি অর্থাৎ বাদী মোঃ নিজাম উদ্দিন ও তাহার সহযোগীগণ জাল জালিয়াতি করে বিবাদীর সাক্ষর সৃজন করে ওয়ারিশ সূত্রে ২০২২-২০২৩ সনে প্রাপ্ত বি আর এস ৪৩ নং দাগের চৌহদ্দি ভুক্ত জমি দিয়া জাল দলিলটি তৈরি করেছেন। সাবেক সহকারী কমিশনার ভূমি, জনাবা ফাতেমা জান্নাত, ৩৬ তম বি সি এস বিবাদীর লিখিত বক্তব্য, তথ্য প্রমাণ আমলে না নিয়া বা যাচাই বাছাই না করিয়া অবৈধ অর্থের বিনিময়ে নাইব মোঃ ফরিদ আহাম্মদ, সার্ভেয়ার মোঃ হায়দার আলীর সাথে যুগসাজশে বিবাদী কে হয়রানী ও ক্ষতি করার লক্ষে অসৎ ও দুর্নীতিবাজ
সাবেক সহকারী কমিশনার ভূমি, গফরগাঁও এর জনাবা ফাতেমা জান্নাত, ৩৬ তম বি সি এস, বে-আইনী ভাবে ৩২৫৬ নং জাল দলিল কে অর্থের বিনিময়ে বৈধ দলিল বলে স্বীকৃতি দিয়ে বিবাদীর বৈধ নামজারি জমা ভাগ নং ৫৮৪ (IX-I) ২২-২৩ ইং বাতিল মর্মে গত ১৮/১২/২০২৩ ইং এর সারক নং:১২০৬ (৩) মূলে আদেশ প্রদান করেন। এমন কি ৩২৫৬ নং জাল দলিলের ফটোকপি বা নকল কপি পাওয়ার জন্য লিখিত ভাবে বিবাদী উপজেলা ভূমি অফিস ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব বরাবর আবেদন করে ও উপজেলা ভূমি অফিস হতে ৩২৫৬ নং জাল দলিলের কপি পান নি।

তবে অনেক চেষ্টার পর অসৎ সাবেক সহকারী কমিশনার ভূমি, জনাবা ফাতেমা জান্নাত, ৩৬ তম বি সি এস, কর্তৃক দেওয়া নামজারি জমাভাগ ৫৮৪(IX-I)২২-২৩ ইং বাতিলের বিরুদ্ধে বিবাদী পক্ষ ইতিপূর্বে রিভিউ মামলা দায়ের করেন এবং মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন আছে এবং ৩২৫৬ নং জাল দলিল জব্দ করার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় রিভিউকারী অভিযোগ ও দায়ের করেন, যাহা বর্তমানে তদন্তাধীন আছে। তবে গত ১২ নভেম্বর ২০২৫ ইং লংগাইর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে তদন্তের জন্য উপস্থিত হয়ে রিভিউকারি লিখিত বক্তব্য সহ তথ্য প্রমাণ দায়ের করেন, মৌখিক ভাবে বক্তব্য উপস্থাপন করেন, এমন কি ৩২৫৬ নং দলিলটি জাল দলিল এর প্রমাণ ও জমা দেন। তবে মোঃ নিজাম উদ্দিন ৩২৫৬ নং জাল দলিলটি তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট জমা/দায়ের করেন নি। রিভিউকারী বলেন আমার ৪৩ নং দাগের চৌহদ্দি ভুক্ত জমি হল ৮৪ শতাংশ, সেখানে মোঃ নিজাম উদ্দিন এর নিকট বিবাদী ৫ হাজার ১ শত একর জমি কি ভাবে বিক্রি করেন বা সাব রেজি: অফিস কি ভাবে ৫ হাজার ১ শত একর জমি রেজি: করেন এবং রিভিউকারী ৪৩ নং দাগের জমির মালিকানা প্রাপ্ত হইছেন ২০২২-২০২৩ সনে ওয়ারিশ সূত্রে নামজারী মূলে, সেখানে ২০১৯ সনে ৪৩ নং দাগের জমি রিভিউকারী কি ভাবে বিক্রি করেন। তবে ইউনিয়ন ভূমি অফিস কর্মকর্তা গণ বুজতে পেরেছেন ৩২৫৬ নং দলিলটি মূলত জাল দলিল, জাল জালিয়াতির বিষয়টি প্রকাশিত হওয়ায় সে জন্য মোঃ নিজাম উদ্দিন ৩২৫৬ নং জাল দলিলটি বাহির করতেছেন না। তবে রিভিউ মামলা শুনানির সময় ভূমি উপ সহকারী কর্মকর্তা (তদন্তকারী কর্মকর্তা) সহ উপস্থিত ছিলেন অন্য আর ও ২ জন অফিস সহকারী। এলাকাবাসী বলেন এ সকল অন্যায়ের ফলে ভূমি অফিসের কর্মকর্তাদের সুনাম ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। তবে ৩২৫৬ নং জাল দলিল সৃষ্টিকারী ও সহযুগীতাকারি গণের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্ত মূল শাস্তির জন্য বর্তমান সৎ বিজ্ঞ সহকারী কমিশনার ভূমি, গফরগাঁও বরাবর ভুক্তভুগী ও এলাকার সাধারণ জনগণ বিনীত ভাবে দাবী করছেন। আর ও বলেন নাইব মোঃ ফরিদ আহাম্মদ সহ সার্ভেয়ার মোঃ হায়দার আলী মানুষকে অর্থের জন্য হয়রানি করে অবৈধ ভাবে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন মর্মে এলাকাবাসী অভিযোগ করেন।

তবে এ সকল অসৎ কর্মকর্তা তৎকালীন আওয়ামীলীগের নাম ভাঙ্গিয়ে ও তাদের নির্দিষ্ট কতিপয় দালাল আওয়ামী সন্ত্রাসী নিয়া জাল জালিয়াতি করে এ ভাবে ভূমির প্রকৃত মালিকদের কে অবৈধ অর্থের জন্য হয়রানি ও ক্ষতি সাধন করছেন। তবে এলাকাবাসী এ সকল দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তর সহ দুর্নীতি দমন কমিশনের ও হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। তবে রাইভিউকারী স্বীকার করেন আগের তুলনায় এখন ভূমি অফিস এর কার্যক্রম অনেক ভালো। এ ছাড়া রিভিয়কারী ঢাকায় বসবাস ও চাকরী করায় তথা এলাকাতে বসবাস না করায় সবচাইতে বেশী হয়রানী ও কষ্টের স্বীকার হচ্ছেন।

ট্যাগ:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে

ছয় দিন ধরে বন্ধ চার চা বাগান, ডিসির কাছে শ্রমিকদের স্মারকলিপি

গফরগাঁও ভূমি অফিসে অবৈধ অর্থের বিনিময়ে জাল দলিল কে বৈধ দলিল বলে স্বীকৃতি এবং নামজারি বাতিল

আপডেটের সময় : ০৪:১৬:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫

অপরাধ প্রতিবেদক : গফরগাঁও উপজেলার ভূমি অফিসে বিগত ৫ জানুয়ারি ২০২৩ লংগাইর ইউনিয়নের মৃত রিয়াজ উদ্দিন এর ছেলে মোঃ নিজাম উদ্দিন সাবেক সহকারী কমিশনার ভূমি,গফরগাঁও বরাবর অভিযোগ দায়ের করেন শোলশাপ মৌজার বি আর এস ৪৩ নং দাগের চৌহদ্দি ভুক্ত সম্পত্তি বিগত ২০১৯ ইং সনে ৩২৫৬ নং সাফ কবলা দলিল মূলে ৫১০০ একর (পাঁচ হাজার একশত একর) মাত্র জমি বিবাদীর নিকট হতে ক্রয় করছেন এবং নামজারি মোকদ্দমা নং ১৯০(IX-I) ২২-২৩ ইং মূলে হওয়া নামজারি জমাভাগ নং:৫৮৪(IX-I)২২-২৩ ইং ও নামজারি খতিয়ান নং: ১৪৭ বাতিলের জন্য অভিযোগ দায়ের করেন। তবে মোঃ নিজাম উদ্দিন এর অভিযোগটি গফরগাঁও উপজেলা ভূমি অফিস কর্তৃপক্ষ আমলে নিয়া যাহার স্মারক নং-২১, তারিখ: ০৫/০১/২০২৩ ইং মূলে তদন্তের জন্য লংগাইর ইউনিয়ন তুমি অফিস এর উপ সহকারী কর্মকর্তা মোঃ ফরিদ আহাম্মদ কে তদন্তের জন্য আদেশ প্রদান করেন। নাইব মোঃ ফরিদ আহাম্মদ আগে থেকেই বাদী মোঃ নিজাম উদ্দিন এর সাথে যুগসাজস থাকায় বিবাদী কে অবগত না করিয়া অতি গোপনে বাদী মোঃনিজাম উদ্দিন এর দেওয়া অবৈধ অর্থের বিনিময়ে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে জাল দলিল তৈরি করে বিগত ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ইং স্মারক নং: ২৭ মূলে বাদী মোঃ নিজাম উদ্দিন এর দায়ের করা অভিযুগে উল্লেখ ৩২৫৬ নং জাল দলিল মূলে মালিকানা দাবী কে সত্য ও সঠিক বলে স্বীকৃতি দিয়ে বিগত ২০১৯ সনের ৩২৫৬ নং জাল দলিল এর কপি সংযুক্ত করে বৈধ ও সঠিক দলিল বলে স্বীকৃতি দিয়ে বিবাদীর নামজারী বাতিল করার জন্য অসৎ, দুর্নীতিবাজ নাইব মোঃ ফরিদ আহাম্মদ সহকারী কমিশনার ভূমি বরাবর তদন্তের আদেশ পাওয়ার ২ সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিয়া বিবাদীকে অবগত না করে নামজারি বাতিলের জন্য সহকারী কমিশনার ভূমি বরাবর সুপারিশ করেন। অথচ লংগাইর ইউনিয়ন তুমি অফিস সহ সতর বাড়ী গ্রামের সকল প্রতিষ্ঠানের সম্পদ ও অর্থ দাতা বিবাদীর বাবা কিন্তু নাইব মোঃ ফরিদ নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে বিবাদীকে অবগত না করে অতি গোপনে প্রতিবেদন জমা দেন। এ পরিবারের সাথে নাইব মোঃ ফরিদ আহাম্মদ প্রতারণা করেছেন মর্মে বিভিন্ন মহলে এবং বর্তমান ভূমি অফিস কর্মকর্তাদের মধ্যে ও নিন্দার ঝড় উঠেছে মনে জানাযায়। পরবর্তীতে সহকারী কমিশনার ভূমি, গফরগাঁও তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার ২ মাস পর বিবাদীর নামে নোটিশ ইস্যু করলে বিবাদী নোটিশ পাওয়ার ধার্য তারিখে বাদীর অভিযুগ ও নাইব এর দেওয়া প্রতিবেদন উত্তোলন করে লিখিত ভাবে জবাব দাখিল করেন তৎসহ প্রমাণ পত্র উপস্থাপন করেন। বিবাদী পক্ষ বলেন ৩২৫৬ নং দলিল মূলে বিবাদী বাদী মোঃ নিজাম উদ্দিন এর নিকট সৌলশাপ মৌজার ৪৩ নং দাগের চৌহদ্দি ভুক্ত ওয়ারিশ সম্পত্তি ২০১৯ সনে ৫ হাজার ১ শত একর বিক্রয় করেন নি এবং ৩২৫৬ নং দলিলটি জাল, যাহা রেজিস্ট্রি অফিস লিখিত ভাবে অবগত করেছেন তৎ প্রমাণ সংযুক্ত।

এ ছাড়া বিবাদী ৪৩ নং দাগের সম্পত্তি ওয়ারিশ ত্রে ২০২২ সনে প্রাপ্ত হয়ে বিগত ২২-২৩ সনে নামজারি জমাভাগ মূলে মালিকানা প্রাপ্ত হন, সেখানে ২০১৯ সনে অত্র ওয়ারিশ সম্পত্তি বিক্রয় করার কোন সুযোগ নাই অর্থাৎ ৩২৫৬ নং দলিলটি জাল এবং অত্র দলিলে বিবাদী তথা জমির মালিক কোন সহি সাক্ষর করেন নি অর্থাৎ বাদী মোঃ নিজাম উদ্দিন ও তাহার সহযোগীগণ জাল জালিয়াতি করে বিবাদীর সাক্ষর সৃজন করে ওয়ারিশ সূত্রে ২০২২-২০২৩ সনে প্রাপ্ত বি আর এস ৪৩ নং দাগের চৌহদ্দি ভুক্ত জমি দিয়া জাল দলিলটি তৈরি করেছেন। সাবেক সহকারী কমিশনার ভূমি, জনাবা ফাতেমা জান্নাত, ৩৬ তম বি সি এস বিবাদীর লিখিত বক্তব্য, তথ্য প্রমাণ আমলে না নিয়া বা যাচাই বাছাই না করিয়া অবৈধ অর্থের বিনিময়ে নাইব মোঃ ফরিদ আহাম্মদ, সার্ভেয়ার মোঃ হায়দার আলীর সাথে যুগসাজশে বিবাদী কে হয়রানী ও ক্ষতি করার লক্ষে অসৎ ও দুর্নীতিবাজ
সাবেক সহকারী কমিশনার ভূমি, গফরগাঁও এর জনাবা ফাতেমা জান্নাত, ৩৬ তম বি সি এস, বে-আইনী ভাবে ৩২৫৬ নং জাল দলিল কে অর্থের বিনিময়ে বৈধ দলিল বলে স্বীকৃতি দিয়ে বিবাদীর বৈধ নামজারি জমা ভাগ নং ৫৮৪ (IX-I) ২২-২৩ ইং বাতিল মর্মে গত ১৮/১২/২০২৩ ইং এর সারক নং:১২০৬ (৩) মূলে আদেশ প্রদান করেন। এমন কি ৩২৫৬ নং জাল দলিলের ফটোকপি বা নকল কপি পাওয়ার জন্য লিখিত ভাবে বিবাদী উপজেলা ভূমি অফিস ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব বরাবর আবেদন করে ও উপজেলা ভূমি অফিস হতে ৩২৫৬ নং জাল দলিলের কপি পান নি।

তবে অনেক চেষ্টার পর অসৎ সাবেক সহকারী কমিশনার ভূমি, জনাবা ফাতেমা জান্নাত, ৩৬ তম বি সি এস, কর্তৃক দেওয়া নামজারি জমাভাগ ৫৮৪(IX-I)২২-২৩ ইং বাতিলের বিরুদ্ধে বিবাদী পক্ষ ইতিপূর্বে রিভিউ মামলা দায়ের করেন এবং মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন আছে এবং ৩২৫৬ নং জাল দলিল জব্দ করার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় রিভিউকারী অভিযোগ ও দায়ের করেন, যাহা বর্তমানে তদন্তাধীন আছে। তবে গত ১২ নভেম্বর ২০২৫ ইং লংগাইর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে তদন্তের জন্য উপস্থিত হয়ে রিভিউকারি লিখিত বক্তব্য সহ তথ্য প্রমাণ দায়ের করেন, মৌখিক ভাবে বক্তব্য উপস্থাপন করেন, এমন কি ৩২৫৬ নং দলিলটি জাল দলিল এর প্রমাণ ও জমা দেন। তবে মোঃ নিজাম উদ্দিন ৩২৫৬ নং জাল দলিলটি তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট জমা/দায়ের করেন নি। রিভিউকারী বলেন আমার ৪৩ নং দাগের চৌহদ্দি ভুক্ত জমি হল ৮৪ শতাংশ, সেখানে মোঃ নিজাম উদ্দিন এর নিকট বিবাদী ৫ হাজার ১ শত একর জমি কি ভাবে বিক্রি করেন বা সাব রেজি: অফিস কি ভাবে ৫ হাজার ১ শত একর জমি রেজি: করেন এবং রিভিউকারী ৪৩ নং দাগের জমির মালিকানা প্রাপ্ত হইছেন ২০২২-২০২৩ সনে ওয়ারিশ সূত্রে নামজারী মূলে, সেখানে ২০১৯ সনে ৪৩ নং দাগের জমি রিভিউকারী কি ভাবে বিক্রি করেন। তবে ইউনিয়ন ভূমি অফিস কর্মকর্তা গণ বুজতে পেরেছেন ৩২৫৬ নং দলিলটি মূলত জাল দলিল, জাল জালিয়াতির বিষয়টি প্রকাশিত হওয়ায় সে জন্য মোঃ নিজাম উদ্দিন ৩২৫৬ নং জাল দলিলটি বাহির করতেছেন না। তবে রিভিউ মামলা শুনানির সময় ভূমি উপ সহকারী কর্মকর্তা (তদন্তকারী কর্মকর্তা) সহ উপস্থিত ছিলেন অন্য আর ও ২ জন অফিস সহকারী। এলাকাবাসী বলেন এ সকল অন্যায়ের ফলে ভূমি অফিসের কর্মকর্তাদের সুনাম ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। তবে ৩২৫৬ নং জাল দলিল সৃষ্টিকারী ও সহযুগীতাকারি গণের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্ত মূল শাস্তির জন্য বর্তমান সৎ বিজ্ঞ সহকারী কমিশনার ভূমি, গফরগাঁও বরাবর ভুক্তভুগী ও এলাকার সাধারণ জনগণ বিনীত ভাবে দাবী করছেন। আর ও বলেন নাইব মোঃ ফরিদ আহাম্মদ সহ সার্ভেয়ার মোঃ হায়দার আলী মানুষকে অর্থের জন্য হয়রানি করে অবৈধ ভাবে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন মর্মে এলাকাবাসী অভিযোগ করেন।

তবে এ সকল অসৎ কর্মকর্তা তৎকালীন আওয়ামীলীগের নাম ভাঙ্গিয়ে ও তাদের নির্দিষ্ট কতিপয় দালাল আওয়ামী সন্ত্রাসী নিয়া জাল জালিয়াতি করে এ ভাবে ভূমির প্রকৃত মালিকদের কে অবৈধ অর্থের জন্য হয়রানি ও ক্ষতি সাধন করছেন। তবে এলাকাবাসী এ সকল দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তর সহ দুর্নীতি দমন কমিশনের ও হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। তবে রাইভিউকারী স্বীকার করেন আগের তুলনায় এখন ভূমি অফিস এর কার্যক্রম অনেক ভালো। এ ছাড়া রিভিয়কারী ঢাকায় বসবাস ও চাকরী করায় তথা এলাকাতে বসবাস না করায় সবচাইতে বেশী হয়রানী ও কষ্টের স্বীকার হচ্ছেন।