০২:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এসেই বিতর্কিত অবস্থানে উত্তরা বিআরটিএ পরিদর্শক হাফিজ

অপরাধ প্রতিবেদক : উত্তরা বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো থ্রি, মিরপুর ১২ বিআরটিসি বাস ডিপো অনিয়ম দুর্নীতি ও ঘুষ বাণিজ্যে মহা উৎসবে পরিনিত হয়েছে। সদ্য যোগদানকৃত হাফিজের নেতৃত্বে চলছে এসব কার্যকলাপ বলে জানিয়েছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছু একাধিক ব্যক্তি। যোগদান করেই তিনি দালাল চক্র ও এখানে কর্মরত কিছু অসাধু কর্মচারীদের সাথে সখ্যতা করে বিভিন্ন অনৈতিক কার্যকলাপ লিপ্ত হয়ে পরেছেন। উত্তরা বিআরটিএতে প্রতি বোর্ডে প্রায় ৮ থেকে ৯ শত লোক ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে আসে, এদের মধ্যে আশি পার্সেন্ট লোকই হয়তো রিটেন, অথবা ভাইভা বা প্রাকটিক্যাল, কোন না কোনটাই ফেল করে। আর এ ফেল করা মানে অকৃতকার্য। কিন্তু পরের দিন রেজাল্ট চেক করার সময় অনলাইনে দেখা যায় ৮০% লোকই পাস। এটা কিভাবে সম্ভব? এ প্রশ্নের জবাব খুজতে গিয়ে অনুসন্ধানে জানা যায়, দালালদের মাধ্যমে কাজগুলো বেশির ভাগ যায় কর্তৃপক্ষের কাছে আর দালাল চক্র পরিদর্শক হাফিজ সাহেবের সাথে একটা মোটা অংকের টাকা চুক্তিতে পাস করিয়ে দেয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকে জানিয়েছেন, ফিটনেস, গাড়ির মালিকানা বদলি সহ বিভিন্ন অনৈতিক কার্যকলাপের সাথেও জড়িয়ে পরেছেন অল্প সময়ের ব্যবধানে।
অভিযোগ আছে এর আগেও তিনি যেখানে কর্মরত ছিলেন সেখানেও এমন বিতর্কিত কর্মকান্ডে জড়িত ছিলেন এবং তিনি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করেই এসব করেন বিধায় তার বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে চান না। বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ খতিয়ে দেখবেন এ প্রত্যাশা ভুক্তভোগী সহ সচেতন জনতার।

ট্যাগ:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে

ছয় দিন ধরে বন্ধ চার চা বাগান, ডিসির কাছে শ্রমিকদের স্মারকলিপি

এসেই বিতর্কিত অবস্থানে উত্তরা বিআরটিএ পরিদর্শক হাফিজ

আপডেটের সময় : ০১:১৪:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫

অপরাধ প্রতিবেদক : উত্তরা বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো থ্রি, মিরপুর ১২ বিআরটিসি বাস ডিপো অনিয়ম দুর্নীতি ও ঘুষ বাণিজ্যে মহা উৎসবে পরিনিত হয়েছে। সদ্য যোগদানকৃত হাফিজের নেতৃত্বে চলছে এসব কার্যকলাপ বলে জানিয়েছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছু একাধিক ব্যক্তি। যোগদান করেই তিনি দালাল চক্র ও এখানে কর্মরত কিছু অসাধু কর্মচারীদের সাথে সখ্যতা করে বিভিন্ন অনৈতিক কার্যকলাপ লিপ্ত হয়ে পরেছেন। উত্তরা বিআরটিএতে প্রতি বোর্ডে প্রায় ৮ থেকে ৯ শত লোক ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে আসে, এদের মধ্যে আশি পার্সেন্ট লোকই হয়তো রিটেন, অথবা ভাইভা বা প্রাকটিক্যাল, কোন না কোনটাই ফেল করে। আর এ ফেল করা মানে অকৃতকার্য। কিন্তু পরের দিন রেজাল্ট চেক করার সময় অনলাইনে দেখা যায় ৮০% লোকই পাস। এটা কিভাবে সম্ভব? এ প্রশ্নের জবাব খুজতে গিয়ে অনুসন্ধানে জানা যায়, দালালদের মাধ্যমে কাজগুলো বেশির ভাগ যায় কর্তৃপক্ষের কাছে আর দালাল চক্র পরিদর্শক হাফিজ সাহেবের সাথে একটা মোটা অংকের টাকা চুক্তিতে পাস করিয়ে দেয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকে জানিয়েছেন, ফিটনেস, গাড়ির মালিকানা বদলি সহ বিভিন্ন অনৈতিক কার্যকলাপের সাথেও জড়িয়ে পরেছেন অল্প সময়ের ব্যবধানে।
অভিযোগ আছে এর আগেও তিনি যেখানে কর্মরত ছিলেন সেখানেও এমন বিতর্কিত কর্মকান্ডে জড়িত ছিলেন এবং তিনি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করেই এসব করেন বিধায় তার বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে চান না। বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ খতিয়ে দেখবেন এ প্রত্যাশা ভুক্তভোগী সহ সচেতন জনতার।