০২:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাকা মেট্রো-৪, তেজগাঁও বিআরটিএ অফিসের সহকারী পরিচালক মিলনের ঘুষ বাণিজ্য তুঙ্গে!

মোঃ শহীদুল ইসলাম : ঢাকা মেট্রো ফোর বিআরটিএ অফিসের সহকারী পরিচালক মোঃ আহসান হাবিব (মিলন) এর বিরুদ্ধে বিস্তার অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিজেকে ক্ষমতাবান দাবি করে দীর্ঘদিন একচেটিয়া রাজত্ব করে আসছে ঢাকা মেট্রো ফোর, বিআরটিএ, তেজগাও ব্রাঞ্চ কার্যালয়ে।

অনুসন্ধানে জানা যায় বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর ওয়াদুল কাদের সহ বড় বড় নেতা কর্মীদের খুব কাছের লোক পরিচয় দিয়ে এডি মিলন এহেন অপকর্ম নাই যা তিনি ঢাকা মেট্রো ফোর তেজগাও ব্রাঞ্চ কার্যালয়ে বসে করেন না। তিনি এমনভাবে তার ক্ষমতার জাল বিছিয়ে রেখেছেন যে তার অপকর্মের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে অনেকেই ভয় পায়। টাকার বিনিময়ে অকৃতকার্য ড্রাইভিং লাইসেন্স গুলো কৃতকার্য করে মাসে ইনকাম করে লক্ষ লক্ষ টাকা। শুধু তাই নয় ফিটনেস মালিকানা বদলিসহ, পরিবহন সেক্টরে যত ধরনের কাজ আছে টাকার বিনিময়ে তার কাছে সব সমাধান হয়ে যায়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই জানিয়েছেন, তার রয়েছে নামে বেনামে বিভিন্ন জায়গায় ফ্ল্যাট ও জমি এবং একটা পালিত সন্ত্রাসী বাহিনী। কেউ তার অন্যায়ের বিরুদ্ধে মুখ খুললে সেই বাহিনী দিয়ে তাদেরকে হুমকি দেওয়া হয়। তাই অনেকেই চোখে দেখেও নীরব ভূমিকা পালন।

সরেজমিনে জানা যায়, প্রতি বোর্ডে ৮০০ থেকে ১০০০ পরীক্ষার্থী ড্রাইভিং পরীক্ষা দেয়, এদের মধ্যে সিংহভাগ প্রার্থী রিটেন ভাইবা ও প্রাকটিক্যাল ফেল করে। কিন্তু পরবর্তী দিন অনলাইনে রেজাল্ট দেখা যায় ৯০ ভাগ পরীক্ষার্থী পাস। কিন্তু এটা কিভাবে সম্ভব? এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে সাংবাদিকরা জানতে পেরেছে, তা রয়েছে একাধিক দালালচক্র, এই দালাল চক্রের মাধ্যমে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে এসব অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীদের কৃতকার্য করে দেন। আর এইসব অপকর্মে সঙ্গ দেয় পরিদর্শক অনিমেষ, এডি মিলন কিছু দিন আগেও আওয়ামী লীগের সাইনবোর্ড লাগিয়ে প্রকাশে ঘুরে বেড়িয়েছে, কিন্তু বর্তমানে তো মানুষ নতুন এক স্বাধীনতা পেয়েছে। তাই এই স্বাধীন রাষ্ট্রে এই ধরনের ফ্যাসিবাদ দুর্নীতিবাজ লোক কিভাবে ঘুরে বেড়ায় সেটাই এখন সাধারণ মানুষের প্রশ্ল। ঢাকা মেট্রো ফোর তেজগাঁও বিআরটিএ চাকরি করে অবৈধ পথে গড়ে তুলেছে টাকার পাহাড়। তথ্য অনুসন্ধানে আরো জানা যায় এ অবৈধ টাকার ভাগ উর্ধ্বতন কর্মকর্তা পর্যন্ত পৌঁছে যায়, তাই তারা অপকর্মের কথা জেনেও কোন প্রকার পদক্ষেপ নেয় না, তাই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের উচিত অচিরেই এ ব্যাপারে নজর দেওয়া।

ট্যাগ:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে

ছয় দিন ধরে বন্ধ চার চা বাগান, ডিসির কাছে শ্রমিকদের স্মারকলিপি

ঢাকা মেট্রো-৪, তেজগাঁও বিআরটিএ অফিসের সহকারী পরিচালক মিলনের ঘুষ বাণিজ্য তুঙ্গে!

আপডেটের সময় : ১০:৪৫:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

মোঃ শহীদুল ইসলাম : ঢাকা মেট্রো ফোর বিআরটিএ অফিসের সহকারী পরিচালক মোঃ আহসান হাবিব (মিলন) এর বিরুদ্ধে বিস্তার অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিজেকে ক্ষমতাবান দাবি করে দীর্ঘদিন একচেটিয়া রাজত্ব করে আসছে ঢাকা মেট্রো ফোর, বিআরটিএ, তেজগাও ব্রাঞ্চ কার্যালয়ে।

অনুসন্ধানে জানা যায় বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর ওয়াদুল কাদের সহ বড় বড় নেতা কর্মীদের খুব কাছের লোক পরিচয় দিয়ে এডি মিলন এহেন অপকর্ম নাই যা তিনি ঢাকা মেট্রো ফোর তেজগাও ব্রাঞ্চ কার্যালয়ে বসে করেন না। তিনি এমনভাবে তার ক্ষমতার জাল বিছিয়ে রেখেছেন যে তার অপকর্মের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে অনেকেই ভয় পায়। টাকার বিনিময়ে অকৃতকার্য ড্রাইভিং লাইসেন্স গুলো কৃতকার্য করে মাসে ইনকাম করে লক্ষ লক্ষ টাকা। শুধু তাই নয় ফিটনেস মালিকানা বদলিসহ, পরিবহন সেক্টরে যত ধরনের কাজ আছে টাকার বিনিময়ে তার কাছে সব সমাধান হয়ে যায়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই জানিয়েছেন, তার রয়েছে নামে বেনামে বিভিন্ন জায়গায় ফ্ল্যাট ও জমি এবং একটা পালিত সন্ত্রাসী বাহিনী। কেউ তার অন্যায়ের বিরুদ্ধে মুখ খুললে সেই বাহিনী দিয়ে তাদেরকে হুমকি দেওয়া হয়। তাই অনেকেই চোখে দেখেও নীরব ভূমিকা পালন।

সরেজমিনে জানা যায়, প্রতি বোর্ডে ৮০০ থেকে ১০০০ পরীক্ষার্থী ড্রাইভিং পরীক্ষা দেয়, এদের মধ্যে সিংহভাগ প্রার্থী রিটেন ভাইবা ও প্রাকটিক্যাল ফেল করে। কিন্তু পরবর্তী দিন অনলাইনে রেজাল্ট দেখা যায় ৯০ ভাগ পরীক্ষার্থী পাস। কিন্তু এটা কিভাবে সম্ভব? এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে সাংবাদিকরা জানতে পেরেছে, তা রয়েছে একাধিক দালালচক্র, এই দালাল চক্রের মাধ্যমে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে এসব অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীদের কৃতকার্য করে দেন। আর এইসব অপকর্মে সঙ্গ দেয় পরিদর্শক অনিমেষ, এডি মিলন কিছু দিন আগেও আওয়ামী লীগের সাইনবোর্ড লাগিয়ে প্রকাশে ঘুরে বেড়িয়েছে, কিন্তু বর্তমানে তো মানুষ নতুন এক স্বাধীনতা পেয়েছে। তাই এই স্বাধীন রাষ্ট্রে এই ধরনের ফ্যাসিবাদ দুর্নীতিবাজ লোক কিভাবে ঘুরে বেড়ায় সেটাই এখন সাধারণ মানুষের প্রশ্ল। ঢাকা মেট্রো ফোর তেজগাঁও বিআরটিএ চাকরি করে অবৈধ পথে গড়ে তুলেছে টাকার পাহাড়। তথ্য অনুসন্ধানে আরো জানা যায় এ অবৈধ টাকার ভাগ উর্ধ্বতন কর্মকর্তা পর্যন্ত পৌঁছে যায়, তাই তারা অপকর্মের কথা জেনেও কোন প্রকার পদক্ষেপ নেয় না, তাই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের উচিত অচিরেই এ ব্যাপারে নজর দেওয়া।