০২:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কলাপাড়ায় সড়ক আটকে ঘর নির্মাণ, ১৭ বছর ধরে ভোগান্তিতে দুই পরিবার

  • সৌমিত্র সুমন
  • আপডেটের সময় : ০৩:৩৩:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
  • ১২১ টাইম ভিউ

সৌমিত্র সুমন : পটুয়াখালীর কলাপাড়া পৌর শহরের চিংড়িয়া এলাকায় সড়ক আটকে বসতঘর নির্মাণের অভিযোগে দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে দুটি পরিবার। মাত্র এক ফুটেরও কম প্রশস্ত একটি সংকীর্ণ পথ দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে তাদের। বৃষ্টির সময় পথটি কাদা-পানিতে একাকার হয়ে যায়। এমনকি চলাচলে বাধা দিতে সেখানে ব্লেড ও ভাঙা কাঁচ ফেলে রাখার অভিযোগও উঠেছে।

ভুক্তভোগী শৈলেন চন্দ্র শীল ও অনিল চন্দ্র শীলের পরিবারের অভিযোগ, প্রতিবেশী পরিতোষ শীল ও হরিদাস শীল প্রভাব খাটিয়ে পৌরসভার সড়কের জন্য নির্ধারিত ০.৭২ শতাংশ জমি দখল করে ঘর নির্মাণ করেছেন। এ নিয়ে প্রতিবাদ জানালে তাদের বিরুদ্ধে একের পর এক চারটি দেওয়ানি মামলা দায়ের করা হয়। তবে প্রতিটি মামলাতেই ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষে রায় আসে।

এরপরও রাস্তা ছেড়ে না দেওয়ায় গত ২২ এপ্রিল পৌরসভার প্রশাসক বরাবর অভিযোগ দায়ের করেন অনিল চন্দ্র শীল। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শেষে পৌরসভা কর্তৃপক্ষ সড়কের জায়গা চিহ্নিত করে খুঁটি স্থাপন করে এবং ঘর অপসারণের জন্য দুই দফা সময় দেয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে পরিতোষ শীল পৌরসভার সচিব কাব্য লাল চক্রবর্তীসহ আরও তিনজনের বিরুদ্ধে দেওয়ানি আদালতে মামলা দায়ের করেন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে পরিতোষ শীল বলেন, তার ক্রয়কৃত জমির প্রায় দেড় শতাংশ ঘাটতি রয়েছে। এ কারণেই তিনি আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন। তার দাবি, সংশ্লিষ্ট জমির দলিলে কোনো রাস্তার উল্লেখ নেই।

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক কাউছার হামিদ বলেন, “সড়ক দখলের বিষয়টি সমাধানে প্রশাসনের সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

ট্যাগ:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে

ছয় দিন ধরে বন্ধ চার চা বাগান, ডিসির কাছে শ্রমিকদের স্মারকলিপি

কলাপাড়ায় সড়ক আটকে ঘর নির্মাণ, ১৭ বছর ধরে ভোগান্তিতে দুই পরিবার

আপডেটের সময় : ০৩:৩৩:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

সৌমিত্র সুমন : পটুয়াখালীর কলাপাড়া পৌর শহরের চিংড়িয়া এলাকায় সড়ক আটকে বসতঘর নির্মাণের অভিযোগে দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে দুটি পরিবার। মাত্র এক ফুটেরও কম প্রশস্ত একটি সংকীর্ণ পথ দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে তাদের। বৃষ্টির সময় পথটি কাদা-পানিতে একাকার হয়ে যায়। এমনকি চলাচলে বাধা দিতে সেখানে ব্লেড ও ভাঙা কাঁচ ফেলে রাখার অভিযোগও উঠেছে।

ভুক্তভোগী শৈলেন চন্দ্র শীল ও অনিল চন্দ্র শীলের পরিবারের অভিযোগ, প্রতিবেশী পরিতোষ শীল ও হরিদাস শীল প্রভাব খাটিয়ে পৌরসভার সড়কের জন্য নির্ধারিত ০.৭২ শতাংশ জমি দখল করে ঘর নির্মাণ করেছেন। এ নিয়ে প্রতিবাদ জানালে তাদের বিরুদ্ধে একের পর এক চারটি দেওয়ানি মামলা দায়ের করা হয়। তবে প্রতিটি মামলাতেই ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষে রায় আসে।

এরপরও রাস্তা ছেড়ে না দেওয়ায় গত ২২ এপ্রিল পৌরসভার প্রশাসক বরাবর অভিযোগ দায়ের করেন অনিল চন্দ্র শীল। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শেষে পৌরসভা কর্তৃপক্ষ সড়কের জায়গা চিহ্নিত করে খুঁটি স্থাপন করে এবং ঘর অপসারণের জন্য দুই দফা সময় দেয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে পরিতোষ শীল পৌরসভার সচিব কাব্য লাল চক্রবর্তীসহ আরও তিনজনের বিরুদ্ধে দেওয়ানি আদালতে মামলা দায়ের করেন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে পরিতোষ শীল বলেন, তার ক্রয়কৃত জমির প্রায় দেড় শতাংশ ঘাটতি রয়েছে। এ কারণেই তিনি আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন। তার দাবি, সংশ্লিষ্ট জমির দলিলে কোনো রাস্তার উল্লেখ নেই।

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক কাউছার হামিদ বলেন, “সড়ক দখলের বিষয়টি সমাধানে প্রশাসনের সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।