
আরফানুল ইসলাম আকাশ : লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে ভুঁইফোড় পোর্টালের অনৈতিক দাবি ও অপপ্রচারের মুখে স্পষ্ট চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আরাফাত হোসাইন। সরকারি ফ্রি বাইরে কারো কাছ থেকে এক টাকা ঘুস নেওয়ার প্রমাণ মিললে চাকরি ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে তিনি সততার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
ঘটনার নেপথ্য
ঘটনার সূত্রপাত: গত ১০ সেপ্টেম্বর একটি অনিবন্ধিত পোর্টালের কয়েকজন ব্যক্তি নিজেদের বড় পরিচয় দিয়ে কমলনগর উপজেলা ভূমি অফিসে আসেন।
অনৈতিক প্রভাব বিস্তার: জমিসংক্রান্ত একটি চলমান নামজারি মামলার বাদীর পক্ষে আইনি প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে অনৈতিক সুবিধা হাসিলের চেষ্টা করেন তারা।সাংবাদিক পরিচয়ধারীদের এমন অহংকারী ও চাপ প্রয়োগের আচরণের মুখে অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে প্রতিবাদ জানান এসিল্যান্ড মো. আরাফাত হোসাইন। ভিডিওতে ওই কর্মকর্তাকে বলতে শোনা যায়, “অফিসে কারো কাছ থেকে আমি টাকা নিয়েছি বা দাবি করেছি—এমন প্রমাণ কেউ করতে পারলে আমি চাকরি ছেড়ে দেব।”
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া
প্রশংসার ঝড়: রবিবার সন্ধ্যায় ‘এসিল্যান্ড কমলনগর’ ফেসবুক আইডিতে এ বিষয়ে একটি দীর্ঘ পোস্ট দেওয়ার পর থেকেই স্থানীয়দের মাঝে তা ভাইরাল হয়ে যায়।
সৎ কর্মকর্তা: কর্মঠ ও সৎ এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ভুঁইফোড় মহলের অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা জানিয়ে স্থানীয় সচেতন মহল তার পক্ষ নিয়ে ফেসবুকে জোরালো সমর্থন জানিয়েছেন।
এসিল্যান্ডের বক্তব্য ও স্থানীয়দের মূল্যায়ন
জিরো টলারেন্স নীতি: যোগদানের পর থেকেই ভূমি সেবাকে শতভাগ দালাল ও দুর্নীতিমুক্ত করতে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছেন এই কর্মকর্তা। শুনানিকালে তিনি নিজেই সেবাগ্রহীতাদের কাছে অবৈধ লেনদেনের বিষয়ে সরাসরি জানতে চান।
আইনি পথের লঙ্ঘন: স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, নামজারি সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে সংক্ষুব্ধ হলে আপিলের বিধান থাকলেও তা না মেনে দপ্তরে হট্টগোল সৃষ্টি করা সম্পূর্ণ বেআইনি। স্বার্থান্বেষী মহলের এমন অপপ্রচার ও হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা অত্যন্ত নিন্দনীয়।
আরফানুল ইসলাম আকাশ 









