১১:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পটুয়াখালীতে দলিল লেখক সমিতির ৭ দফা দাবিতে সমাবেশ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : ০৯:৩৩:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৮৬ টাইম ভিউ

মোঃ ফারুক হোসেন, পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি:- দলিল লেখকদের পেশাগত বিভিন্ন সমস্যা সমাধান ও ৭ দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে পটুয়াখালীতে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয় চত্বরে বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতি, পটুয়াখালী জেলা শাখার উদ্যোগে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
মো. মিতিউর রহমান তালুকদারের সঞ্চালনায় সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন পটুয়াখালী জেলা দলিল লেখক সমিতির সভাপতি মো. আমিনুল ইসলাম আকন।
সমাবেশে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা দলিল লেখকরা অংশ নেন। বক্তারা দলিল লেখকদের পেশাগত সমস্যা সমাধান ও কেন্দ্র ঘোষিত ৭ দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
সমিতির দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—দলিল নিবন্ধন পদ্ধতি আধুনিকায়নের নামে দলিল লেখকদের পেশাচ্যুত না করা, দলিলপ্রতি ন্যূনতম ৫ হাজার টাকা সম্মানী ভাতা বাস্তবায়ন এবং লাইসেন্সপ্রাপ্ত দলিল লেখক ছাড়া অন্য কাউকে দলিল লেখা বা মুসাবিদা করার সুযোগ না দেওয়া। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রজ্ঞাপন জারির দাবিও জানানো হয়।
এ ছাড়া সরকারি খরচে দলিল লেখকদের বসার স্থান ও নামাজের জায়গা নির্মাণ, পক্ষগণের সরবরাহ করা কাগজপত্রের ভিত্তিতে দলিল লেখার কারণে দলিল লেখকদের পেশাগত দায়িত্বের জন্য আসামি না করা, সমিতির থানা ও জেলা কমিটির সুপারিশ ছাড়া অনভিজ্ঞ ব্যক্তিদের দলিল লেখার লাইসেন্স না দেওয়া এবং দলিল লেখক কাউন্সিল গঠনের অনুমতি দেওয়ার দাবিও জানানো হয়।
সমাবেশে বিভাগীয় দলিল লেখক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সদর দলিল লেখক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জুয়েল মৃধা জেলার সব উপজেলা থেকে আগত দলিল লেখকদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।
এছাড়া সমাবেশে আগত উপজেলার দলিল লেখকগন ৭ দফা দাবির বক্তব্যে বলেন, কার্যালয়ে সরকারি খরচে দলিল লেখকদের বসার ও নামাজের স্থান নির্মাণ, পক্ষগণের সরবরাহ করা কাগজপত্রের ভিত্তিতে দলিল লেখার কারণে দলিল লেখকদের পেশাগত দায়িত্বের জন্য আসামি না করা, সমিতির থানা ও জেলা কমিটির সুপারিশ ছাড়া অনভিজ্ঞদের দলিল লেখার লাইসেন্স না দেওয়া এবং দলিল লেখক কাউন্সিল গঠনের অনুমতি দেওয়ার দাবিও রয়েছে।

ট্যাগ:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে

ছয় দিন ধরে বন্ধ চার চা বাগান, ডিসির কাছে শ্রমিকদের স্মারকলিপি

পটুয়াখালীতে দলিল লেখক সমিতির ৭ দফা দাবিতে সমাবেশ

আপডেটের সময় : ০৯:৩৩:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মোঃ ফারুক হোসেন, পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি:- দলিল লেখকদের পেশাগত বিভিন্ন সমস্যা সমাধান ও ৭ দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে পটুয়াখালীতে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয় চত্বরে বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতি, পটুয়াখালী জেলা শাখার উদ্যোগে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
মো. মিতিউর রহমান তালুকদারের সঞ্চালনায় সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন পটুয়াখালী জেলা দলিল লেখক সমিতির সভাপতি মো. আমিনুল ইসলাম আকন।
সমাবেশে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা দলিল লেখকরা অংশ নেন। বক্তারা দলিল লেখকদের পেশাগত সমস্যা সমাধান ও কেন্দ্র ঘোষিত ৭ দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
সমিতির দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—দলিল নিবন্ধন পদ্ধতি আধুনিকায়নের নামে দলিল লেখকদের পেশাচ্যুত না করা, দলিলপ্রতি ন্যূনতম ৫ হাজার টাকা সম্মানী ভাতা বাস্তবায়ন এবং লাইসেন্সপ্রাপ্ত দলিল লেখক ছাড়া অন্য কাউকে দলিল লেখা বা মুসাবিদা করার সুযোগ না দেওয়া। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রজ্ঞাপন জারির দাবিও জানানো হয়।
এ ছাড়া সরকারি খরচে দলিল লেখকদের বসার স্থান ও নামাজের জায়গা নির্মাণ, পক্ষগণের সরবরাহ করা কাগজপত্রের ভিত্তিতে দলিল লেখার কারণে দলিল লেখকদের পেশাগত দায়িত্বের জন্য আসামি না করা, সমিতির থানা ও জেলা কমিটির সুপারিশ ছাড়া অনভিজ্ঞ ব্যক্তিদের দলিল লেখার লাইসেন্স না দেওয়া এবং দলিল লেখক কাউন্সিল গঠনের অনুমতি দেওয়ার দাবিও জানানো হয়।
সমাবেশে বিভাগীয় দলিল লেখক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সদর দলিল লেখক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জুয়েল মৃধা জেলার সব উপজেলা থেকে আগত দলিল লেখকদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।
এছাড়া সমাবেশে আগত উপজেলার দলিল লেখকগন ৭ দফা দাবির বক্তব্যে বলেন, কার্যালয়ে সরকারি খরচে দলিল লেখকদের বসার ও নামাজের স্থান নির্মাণ, পক্ষগণের সরবরাহ করা কাগজপত্রের ভিত্তিতে দলিল লেখার কারণে দলিল লেখকদের পেশাগত দায়িত্বের জন্য আসামি না করা, সমিতির থানা ও জেলা কমিটির সুপারিশ ছাড়া অনভিজ্ঞদের দলিল লেখার লাইসেন্স না দেওয়া এবং দলিল লেখক কাউন্সিল গঠনের অনুমতি দেওয়ার দাবিও রয়েছে।