
মরণোত্তর একুশে পদকপ্রাপ্ত উপমহাদেশের একমাত্র মহিলা নবাব নারী জাগরণ ও নারী শিক্ষার অগ্রদূত। নবাব ফয়জুন্নেছা চৌধুরাণী নারীর শিক্ষায় অনুরাগ ছিল। তিনি নিজের অদম্য ইচ্ছার কারণে শিক্ষিত হন পাশাপাশি শিক্ষা, সমাজকল্যাণ ও সেবাব্রতে তিনি যে উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন তা ইতিহাসে বিরল।
১৮৭৩ সালে নারী শিক্ষা প্রসারের লক্ষ্যে তিনি মেয়েদের জন্য কুমিল্লায় একটি বালিকা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন।এটি উপমহাদেশের বেসরকারিভাবে প্রতিষ্ঠিত মেয়েদের প্রাচীন স্কুলগুলোর মধ্যে অন্যতম।
নওয়াব ফয়জুন্নেসা (পশ্চিমগাঁয়ে) একটি অবৈতনিক মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। মাদ্রাসার ছাত্রদের জন্য একটি ছাত্রাবাস ছিল। মাদ্রাসার ভালো ফলাফলে উৎসাহিত হয়ে পরবর্তিকালে তার (ফয়জুন্নেসার) বংশধরগণ ১৯৪৩ খ্রীঃ এটিকে উচ্চ মাধ্যমিক ইসলামিক কলেজে রূপান্তরিত করেন। ১৯৬৫ খ্রীঃ কলেজটি একটি ডিগ্রী কলেজে রূপান্তরিত হয়ে নওয়াব ফয়জুন্নেসা ডিগ্রী কলেজ নামে আখ্যায়িত হয়। ১৯৮২ খ্রীঃ এ কলেজটির সরকারিকরণ হয় এবং নাম হয় নওয়াব ফয়জুন্নেছা সরকারি কলেজ। যা যুগ যুগ ধরে লাকসাম ও আসপাশের অঞ্চলে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে যাচ্ছে।
তিনি মেয়েদের জন্য হোস্টেলের ব্যবস্থা করেছিলেন যার খরচ তার জমিদারির আয় থেকে বহন করা হতো। পাশাপাশি মেয়েদের জন্য মাসিক বৃত্তির ব্যবস্থাও তিনি করেছিলেন। শুধু দেশেই শিক্ষার আলো ছড়াননি তিনি, পবিত্র মক্কা শরিফে ‘মাদ্রাসা-ই-সওলাতিয়া ও ফোরকানিয়া সহ বিভিন্ন শিক্ষামূলক প্রতিষ্ঠানে প্রচুর পরিমাণে সহায়তা করেন।
এই বিষয়ে লাকসামের বর্তমান ইউএনও কাউছার হামিদ বলেন, নবাব ফয়জুন্নেছা চৌধুরাণী আমাদের গর্ব। তিনি আমাদের সম্পদ।
চাতলপাড় ডিগ্রী কলেজের গভর্নিং বডি নির্বাচনের ফল ঘোষণা, বিজয়ী ৩
নিহারেন্দু চক্রবর্তী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার “চাতলপাড় ডিগ্রী কলেজ” এর গভর্নিং বডির নির্বাচনে ৪ জনকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। ভোটে চারটি পদের বিপরীতে লড়েছিলেন ৬ প্রার্থী। বৃহস্পতিবার (২২ মে ) সকাল ১০টায় প্রতিষ্ঠানটিতে ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে বিরতিহীনভাবে চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। গণনা শেষে সন্ধ্যারাতে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
নির্বাচনে অভিভাবক প্রতিনিধি পদে সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে ১ ম স্থানে নির্বাচিত হয়েছেন মো. আলাউদ্দিন। যিনি পেয়েছেন সর্বোচ্চ ১৬০ ভোট।
তবে দ্বিতীয়,তৃতীয় ও চতুর্থ স্থান নির্ধারন করতে গিয়ে ঘটেছে বেশ চমকপ্রদ একটি ঘটনা। তিন জন প্রার্থীর ভোটের সংখ্যা সমান সমান।
ওই তিন প্রার্থী সকলেই পেয়েছেন ৯৯ (নিরা নব্বই) ভোট। পরে প্রাপ্ত ভোটে সমান, প্রার্থীগণের মধ্যে লটারী করে ২ য়, ৩ য় স্থান বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হয়।
এরা হলেন যথাক্রমেঃ -মো. এনামূল, মো. নজরুল ইসলাম। তবে সমান সংখ্যক ভোট পাওয়ার পরেও লটারীতে দূর্ভাগ্যজনক ভাবে ৪ র্থ হন মীর হোসেন।
ওই নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী আরো দুইজনের মধ্যে অলক রায় পেয়েছেন ৯৫ ও আব্দুস শহিদ ওরফে গামছা শহিদ পেয়েছেন ৭১ ভোট। চাতলপাড় ডিগ্রি কলেজ অবিভাবক সদস্য নির্বাচনকে ঘিরে দিনভর সাজ সাজ রব ও উৎসবের আমেজ লক্ষ্য করা গেছে।ভোটারদের স্বতস্ফুর্ত উপস্থিতি ছিলো চোখে পড়ার মত।
জি.এম.এস রুবেল, লাকসাম, কুমিল্লা 









