১১:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিনোদন প্রেমীদের পদচারণায় মুখরিত নীলফামারীর গ্রামীণ কুটিরশিল্প মেলা

আব্দুর রশিদ, নীলফামারী : বিনোদন প্রেমীদের পদচারণায় মুখরিত নীলফামারীর গ্রামীণ কুটির শিল্প মেলা।সারাদিনের ব্যস্ততা শেষে নিজেকে ও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আনন্দ নিতে উপচে পড়া ভীড় দেখা যায় নীলফামারী গ্রামীণ কুটিরশিল্প মেলায়।ছোটদের আনন্দ দিতে মেলায় রয়েছে নানা রকম খেলাধুলার সরাঞ্জম।এছাড়াও ছোট, বড়দের আনন্দ দিতে নীলফামারী সৈয়দপুরের দ্যা গ্রেট রওশন সার্কাস আছে।ঘন্টা ব্যাপী সময় ধরে আনন্দ উৎফুল্লতা মেতে থাকে সকলেই।মেলায় বাংলাদেশের সনামধন্য শিল্পীদের নিয়ে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকেন মেলার আয়োজকরা।শনিবার (১৪ই জুন) রাতের দিকে সরজমিনে গেলে দেখা যায় সকল বয়সী লোকদের উপচে পড়া ভীড় মেলায়।মেলায় ঘুরতে আসা নীলফামারী ডিমলার স্কুল শিক্ষক মোতালেব সরকার জানান দিনের মধ্যে প্রচন্ড গরম থাকায় পরিবার পরিজন নিয়ে দীর্ঘ সময় মেলার অনেক কিছু উপভোগ করলাম।সবকিছু মিলে অনেক ভালো লাগলো আমি চাই প্রতিবছর এ ধরনের মেলা আমাদের জেলায় হইলে আমার ও সন্তানের মেধা বিকাশের সহায়তা করবে।পঞ্চগড় দেবিগঞ্জ থেকে আসা সুমাইয়া শিমু বলেন পড়াশোনার জন্য তিনি ঢাকায় অবস্থান করেন, নীলফামারী গ্রামীণ কুটিরশিল্প মেলায় নানা রকম আয়োজন দেখে তিনি উৎফুল্ল।এছাড়া এ ধরনের মেলা গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গাঁ করার পাশাপাশি স্থানীয় হস্তশিল্পীদের আত্মনির্ভরশীল হতে সহায়তা করবে। তাদের তৈরী পণ্যের বাজারজাত করণের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। এছাড়াও এটি সুস্থ্যধারার বিনোদনের কেন্দ্র হতে পারে।’

‘তাহের ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট’ এর পক্ষে আবু তাহের জানান, মেলায় স্থানীয় ভাবে তৈরীকৃত হস্তশিল্প, বুননজাত পণ্য, মাটির তৈরি জিনিসপত্র, বাঁশ, বেত ও সোঁনালী আঁশ পাটের সামগ্রীসহ নানা ধরনের কুটির শিল্পপণ্য প্রদর্শন ও পরিবেশনের (বিক্রির) জন্য শতাধিক স্টল স্থান পেয়েছে।’ এছাড়াও শিশুদের বিণোদনের জন্য বিভিন্ন রাইডস্ রয়েছে। এতে মেলায় উদ্যোক্তারা তাদের নিজ নিজ পণ্য পণ্যের প্রর্দশনের মাধ্যমে জেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরছেন।’ সন্ধ্যার পরে মেলার মঞ্চে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিভিন্ন শিল্পীর একাধিক সংঙ্গীত পরিবেশন।

ট্যাগ:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে

ছয় দিন ধরে বন্ধ চার চা বাগান, ডিসির কাছে শ্রমিকদের স্মারকলিপি

বিনোদন প্রেমীদের পদচারণায় মুখরিত নীলফামারীর গ্রামীণ কুটিরশিল্প মেলা

আপডেটের সময় : ০৯:০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ জুন ২০২৫

আব্দুর রশিদ, নীলফামারী : বিনোদন প্রেমীদের পদচারণায় মুখরিত নীলফামারীর গ্রামীণ কুটির শিল্প মেলা।সারাদিনের ব্যস্ততা শেষে নিজেকে ও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আনন্দ নিতে উপচে পড়া ভীড় দেখা যায় নীলফামারী গ্রামীণ কুটিরশিল্প মেলায়।ছোটদের আনন্দ দিতে মেলায় রয়েছে নানা রকম খেলাধুলার সরাঞ্জম।এছাড়াও ছোট, বড়দের আনন্দ দিতে নীলফামারী সৈয়দপুরের দ্যা গ্রেট রওশন সার্কাস আছে।ঘন্টা ব্যাপী সময় ধরে আনন্দ উৎফুল্লতা মেতে থাকে সকলেই।মেলায় বাংলাদেশের সনামধন্য শিল্পীদের নিয়ে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকেন মেলার আয়োজকরা।শনিবার (১৪ই জুন) রাতের দিকে সরজমিনে গেলে দেখা যায় সকল বয়সী লোকদের উপচে পড়া ভীড় মেলায়।মেলায় ঘুরতে আসা নীলফামারী ডিমলার স্কুল শিক্ষক মোতালেব সরকার জানান দিনের মধ্যে প্রচন্ড গরম থাকায় পরিবার পরিজন নিয়ে দীর্ঘ সময় মেলার অনেক কিছু উপভোগ করলাম।সবকিছু মিলে অনেক ভালো লাগলো আমি চাই প্রতিবছর এ ধরনের মেলা আমাদের জেলায় হইলে আমার ও সন্তানের মেধা বিকাশের সহায়তা করবে।পঞ্চগড় দেবিগঞ্জ থেকে আসা সুমাইয়া শিমু বলেন পড়াশোনার জন্য তিনি ঢাকায় অবস্থান করেন, নীলফামারী গ্রামীণ কুটিরশিল্প মেলায় নানা রকম আয়োজন দেখে তিনি উৎফুল্ল।এছাড়া এ ধরনের মেলা গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গাঁ করার পাশাপাশি স্থানীয় হস্তশিল্পীদের আত্মনির্ভরশীল হতে সহায়তা করবে। তাদের তৈরী পণ্যের বাজারজাত করণের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। এছাড়াও এটি সুস্থ্যধারার বিনোদনের কেন্দ্র হতে পারে।’

‘তাহের ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট’ এর পক্ষে আবু তাহের জানান, মেলায় স্থানীয় ভাবে তৈরীকৃত হস্তশিল্প, বুননজাত পণ্য, মাটির তৈরি জিনিসপত্র, বাঁশ, বেত ও সোঁনালী আঁশ পাটের সামগ্রীসহ নানা ধরনের কুটির শিল্পপণ্য প্রদর্শন ও পরিবেশনের (বিক্রির) জন্য শতাধিক স্টল স্থান পেয়েছে।’ এছাড়াও শিশুদের বিণোদনের জন্য বিভিন্ন রাইডস্ রয়েছে। এতে মেলায় উদ্যোক্তারা তাদের নিজ নিজ পণ্য পণ্যের প্রর্দশনের মাধ্যমে জেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরছেন।’ সন্ধ্যার পরে মেলার মঞ্চে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিভিন্ন শিল্পীর একাধিক সংঙ্গীত পরিবেশন।