০৪:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পূর্ব শত্রুতা জেরে সন্ত্রাসী বাদশা মিয়া ও আবুল হোসেন বাহিনীর হামলায় আব্দুল গফুর গুরুতর আহত

অপরাধ প্রতিবেদক : মানিকগঞ্জের সিঙ্গার উপজেলার আটিপাড়া গ্রামের পূর্ব শত্রুতা যেরে একই এলাকার চন্দহর ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ এর সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী বাদশা মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেনের হুকুমে সন্ত্রাসী বাহিনী আব্দুল মোতালেব এর জমি জোরপূর্ব দখল করার সময় ১০-৯-২০২২ তারিখে সকাল ১১:৩০ টার দিকে তর্ক বিতর্ক হলে রানা মো: শাহীন কে না পেয়ে তার ছোট চাচা আব্দুল গফুরকে শীর্ষ সন্ত্রাসী নসুরুদ্দি ধারালো রামদা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর যখম করে।
অভিযোগকারী ভুক্তভোগী রানা মোহাম্মদ শাহিন এর বাবা আব্দুল মোতালেব সাংবাদিকদের জানাই (১) শীর্ষ সন্ত্রাসী নসুরুদ্দি ( চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী) পিতা নাসিরউদ্দিন, (২) শীর্ষ সন্ত্রাসী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর (চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী) পিতা আব্দুল লতিফ, (৩) বাদশা মিয়া (সভাপতি চান্দর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ) পিতা সুলতান মিয়া, (৪) আবুল হোসেন (সাধারণ সম্পাদক চন্দর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ) পিতা ফুলু মিয়া, (৫) সাইফুল মিয়া (দুর্নীতিবাজ চাঁদাবাজ সন্ত্রাসী) পিতা সবুর মিয়া, (৬) খাজা মিয়া (দুর্নীতিবাজ চাঁদাবাজ সন্ত্রাসী) পিতা খাইরুল হোসেন।
এছাড়া তাদের সহযোগী সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ মাদক ব্যবসায়ী শাহজাদা, শাহিনুর, কহিনুর সবাই মিলে আমার জমিতে জোরপূর্বক মাটি ভরাট করে বাড়ি নির্মাণ করবে বলে ট্রাক ভর্তি মাটি ও বালু নিয়ে আসে।
এমত অবস্থায় আমার ছোট ভাই আব্দুল গফুরের সাথে সন্ত্রাসীদের তর্ক বিতর্ক শুরু হয় ও হাতাহাতি হয় মারামারি হয়। একপর্যায়ে শীর্ষ সন্ত্রাসী নসুরুদ্দি, জাহাঙ্গীর আবুল হোসেন খাজা মিয়া, বাদশামিয়া, সাইফুল মিয়া আমাকে ধরে দাক্কা মেরে মাটিতে ফেলে দেয়। এবং আমার ছোট ভাই আব্দুল গফুর তার জীবন বাঁচাতে চেষ্টা করে। এই সময় শীর্ষ সন্ত্রাসী নসুরদ্দি হাতে থাকা ধারালো চাইনিজ ছুরি দ্বারা হত্যার উদ্দেশ্যে আব্দুল গফুরের হাতে পায়ে কুপিয়ে মারাত্মক ভাবে কেটে ফেলে। এবং ডান হাতের দুটি স্থানে রামদা দিয়ে দারালু ছুরি দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে কুপাতে থাকে।
এতে আব্দুল গফুরের ডান হাতের চারটি আঙ্গুল কেটে ফেলে। আব্দুল গফুরের শরীর রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে ফেলে সন্ত্রাসীরা চলে যায়। আমরা ডাক চিৎকার করলে আশেপাশে লোকজন চলে এলে সন্ত্রাসীরা দ্রুত পালিয়ে চলে যায়। পরবর্তীতে রানে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে যায়। অতঃপর আব্দুল গফুরকে মুমূর্ষ অবস্থায় এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (সাভার) ভর্তি করা হয়।
এই ঘটনা দায়েরকৃত মামলায় আমি আব্দুল মোতালেব বাদি হয়ে মামলা দায়ের করি দায়েরকৃত মামলায় পুলিশ তদন্তে অপরাধে প্রাথমিক সত্যতা প্রমাণিত হলে আদালতে চাটশিট দাখিল করা হয়।

ট্যাগ:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে

ছয় দিন ধরে বন্ধ চার চা বাগান, ডিসির কাছে শ্রমিকদের স্মারকলিপি

পূর্ব শত্রুতা জেরে সন্ত্রাসী বাদশা মিয়া ও আবুল হোসেন বাহিনীর হামলায় আব্দুল গফুর গুরুতর আহত

আপডেটের সময় : ০৪:৪৪:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ জুন ২০২৫

অপরাধ প্রতিবেদক : মানিকগঞ্জের সিঙ্গার উপজেলার আটিপাড়া গ্রামের পূর্ব শত্রুতা যেরে একই এলাকার চন্দহর ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ এর সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী বাদশা মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেনের হুকুমে সন্ত্রাসী বাহিনী আব্দুল মোতালেব এর জমি জোরপূর্ব দখল করার সময় ১০-৯-২০২২ তারিখে সকাল ১১:৩০ টার দিকে তর্ক বিতর্ক হলে রানা মো: শাহীন কে না পেয়ে তার ছোট চাচা আব্দুল গফুরকে শীর্ষ সন্ত্রাসী নসুরুদ্দি ধারালো রামদা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর যখম করে।
অভিযোগকারী ভুক্তভোগী রানা মোহাম্মদ শাহিন এর বাবা আব্দুল মোতালেব সাংবাদিকদের জানাই (১) শীর্ষ সন্ত্রাসী নসুরুদ্দি ( চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী) পিতা নাসিরউদ্দিন, (২) শীর্ষ সন্ত্রাসী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর (চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী) পিতা আব্দুল লতিফ, (৩) বাদশা মিয়া (সভাপতি চান্দর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ) পিতা সুলতান মিয়া, (৪) আবুল হোসেন (সাধারণ সম্পাদক চন্দর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ) পিতা ফুলু মিয়া, (৫) সাইফুল মিয়া (দুর্নীতিবাজ চাঁদাবাজ সন্ত্রাসী) পিতা সবুর মিয়া, (৬) খাজা মিয়া (দুর্নীতিবাজ চাঁদাবাজ সন্ত্রাসী) পিতা খাইরুল হোসেন।
এছাড়া তাদের সহযোগী সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ মাদক ব্যবসায়ী শাহজাদা, শাহিনুর, কহিনুর সবাই মিলে আমার জমিতে জোরপূর্বক মাটি ভরাট করে বাড়ি নির্মাণ করবে বলে ট্রাক ভর্তি মাটি ও বালু নিয়ে আসে।
এমত অবস্থায় আমার ছোট ভাই আব্দুল গফুরের সাথে সন্ত্রাসীদের তর্ক বিতর্ক শুরু হয় ও হাতাহাতি হয় মারামারি হয়। একপর্যায়ে শীর্ষ সন্ত্রাসী নসুরুদ্দি, জাহাঙ্গীর আবুল হোসেন খাজা মিয়া, বাদশামিয়া, সাইফুল মিয়া আমাকে ধরে দাক্কা মেরে মাটিতে ফেলে দেয়। এবং আমার ছোট ভাই আব্দুল গফুর তার জীবন বাঁচাতে চেষ্টা করে। এই সময় শীর্ষ সন্ত্রাসী নসুরদ্দি হাতে থাকা ধারালো চাইনিজ ছুরি দ্বারা হত্যার উদ্দেশ্যে আব্দুল গফুরের হাতে পায়ে কুপিয়ে মারাত্মক ভাবে কেটে ফেলে। এবং ডান হাতের দুটি স্থানে রামদা দিয়ে দারালু ছুরি দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে কুপাতে থাকে।
এতে আব্দুল গফুরের ডান হাতের চারটি আঙ্গুল কেটে ফেলে। আব্দুল গফুরের শরীর রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে ফেলে সন্ত্রাসীরা চলে যায়। আমরা ডাক চিৎকার করলে আশেপাশে লোকজন চলে এলে সন্ত্রাসীরা দ্রুত পালিয়ে চলে যায়। পরবর্তীতে রানে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে যায়। অতঃপর আব্দুল গফুরকে মুমূর্ষ অবস্থায় এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (সাভার) ভর্তি করা হয়।
এই ঘটনা দায়েরকৃত মামলায় আমি আব্দুল মোতালেব বাদি হয়ে মামলা দায়ের করি দায়েরকৃত মামলায় পুলিশ তদন্তে অপরাধে প্রাথমিক সত্যতা প্রমাণিত হলে আদালতে চাটশিট দাখিল করা হয়।