০২:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিষিদ্ধ মাদকে ছয়লাব কলাপাড়া, ধ্বংসের পথে যুবসমাজ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : ০৩:৪৭:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই ২০২৫
  • ১৭৬ টাইম ভিউ

সৌমিত্র সুমন, স্টাফ রিপোর্টার : পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ইয়াবা, হেরোইন, গাঁজা ও চোলাই মদের অবাধ বিস্তারে চরম হুমকির মুখে পড়েছে যুবসমাজ। দুই পৌরসভা ও ১২ ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকায় হাত বাড়ালেই মিলছে এসব নিষিদ্ধ মাদক। অভিনব কৌশলে প্রভাবশালী একটি চক্র রমরমা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। মাঝে মাঝে প্রশাসনের অভিযান হলেও পরিস্থিতির তেমন পরিবর্তন নেই।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক মাদক ব্যবসায়ীর অভিযোগ, ‘সোর্স’ পরিচয়ে কিছু ব্যক্তি নিয়মিত মাসোহারার বিনিময়ে মাদক ব্যবসায়ীদের আগেই সতর্ক করে দেন, ফলে অভিযান ভেস্তে যাচ্ছে।

তথ্য অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রতিপিস ইয়াবা ২০০–৪০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, আর এক ‘টোপলা’ গাঁজা মিলছে ১০০–২০০ টাকায়। ইয়াবা বহনে কোমলমতি শিশু ও নারী ব্যবহারের তথ্যও মিলেছে।

মাদক সেবনের ফলে এলাকায় বেড়েছে চুরি, ছিনতাই, ডাকাতির মতো অপরাধ। অভিভাবক মহল পড়েছে চরম উদ্বেগে।

মহিপুর থানার নবনিযুক্ত ওসি মো. মাহমুদ হাসান বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে অফিসারদের সঙ্গে বৈঠক করেছি, সোর্স ব্যবস্থায়ও পরিবর্তন আসবে।”
অন্যদিকে কলাপাড়া থানার ওসি মো. জুয়েল ইসলাম জানান, “আমাদের অভিযান নিয়মিত চলছে, সোর্সদের বিষয়েও সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।”

বিজ্ঞমহলের মতে, যুবসমাজকে রক্ষায় মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার ও চক্রের পেছনে থাকা সুবিধাভোগীদের আইনের আওতায় আনা জরুরি।

ট্যাগ:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে

ছয় দিন ধরে বন্ধ চার চা বাগান, ডিসির কাছে শ্রমিকদের স্মারকলিপি

নিষিদ্ধ মাদকে ছয়লাব কলাপাড়া, ধ্বংসের পথে যুবসমাজ

আপডেটের সময় : ০৩:৪৭:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই ২০২৫

সৌমিত্র সুমন, স্টাফ রিপোর্টার : পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ইয়াবা, হেরোইন, গাঁজা ও চোলাই মদের অবাধ বিস্তারে চরম হুমকির মুখে পড়েছে যুবসমাজ। দুই পৌরসভা ও ১২ ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকায় হাত বাড়ালেই মিলছে এসব নিষিদ্ধ মাদক। অভিনব কৌশলে প্রভাবশালী একটি চক্র রমরমা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। মাঝে মাঝে প্রশাসনের অভিযান হলেও পরিস্থিতির তেমন পরিবর্তন নেই।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক মাদক ব্যবসায়ীর অভিযোগ, ‘সোর্স’ পরিচয়ে কিছু ব্যক্তি নিয়মিত মাসোহারার বিনিময়ে মাদক ব্যবসায়ীদের আগেই সতর্ক করে দেন, ফলে অভিযান ভেস্তে যাচ্ছে।

তথ্য অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রতিপিস ইয়াবা ২০০–৪০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, আর এক ‘টোপলা’ গাঁজা মিলছে ১০০–২০০ টাকায়। ইয়াবা বহনে কোমলমতি শিশু ও নারী ব্যবহারের তথ্যও মিলেছে।

মাদক সেবনের ফলে এলাকায় বেড়েছে চুরি, ছিনতাই, ডাকাতির মতো অপরাধ। অভিভাবক মহল পড়েছে চরম উদ্বেগে।

মহিপুর থানার নবনিযুক্ত ওসি মো. মাহমুদ হাসান বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে অফিসারদের সঙ্গে বৈঠক করেছি, সোর্স ব্যবস্থায়ও পরিবর্তন আসবে।”
অন্যদিকে কলাপাড়া থানার ওসি মো. জুয়েল ইসলাম জানান, “আমাদের অভিযান নিয়মিত চলছে, সোর্সদের বিষয়েও সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।”

বিজ্ঞমহলের মতে, যুবসমাজকে রক্ষায় মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার ও চক্রের পেছনে থাকা সুবিধাভোগীদের আইনের আওতায় আনা জরুরি।