০২:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফ্যাসিস্ট সরকারের সুবিধাভোগী হারুন অর রশিদের খুঁটির জোর কোথায়!

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : ১২:৪৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৫
  • ১৫০৮ টাইম ভিউ

অপরাধ প্রতিবেদক : বগুড়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে সদ্য যোগদানকৃত চীফ ইনস্ট্রাক্টর (টেক), সিভিল, হারুন অর রশিদের দুর্নীতি অসাধাচরণের অভিযোগে অভিযুক্ত। অনিয়ম তেলবাজিতে পটু হারুন অর রশিদ ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে যেমন করে সুবিধা ভোগ করতো খোলস পাল্টে বর্তমানেও তেমনটি করে যাচ্ছে। অনিয়ম দুর্নীতির মাধ্যমে সম্পদও আয়ত্ব করেছেন চোখে পড়ার মত। হয়েছেন একাধিক দামি ফ্ল্যাট ও ভূ-সম্পত্বির মালিক। অবৈধ প্রভাবে সে সবসময়ই পদায়নে ও অনৈতিক সুবিধায় সবসময় এগিয়ে ছিল এবং এখনও আছে। সেই সাথে সরকারের প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় থাকার কথা প্রকাশ করেন অকপটে। তার অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতা দিন দিন বৃদ্ধিতে বর্তমান অধ্যক্ষ সহ ইনস্টিটিউটের এক শ্রেনীর দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার হাত রয়েছে বলেও বলে গুঞ্জন রয়েছে।

সিভিল বিভাগ কর্তৃক পরিচালিত একটি তদন্ত রিপোর্ট অনুযায়ী হারুন এবং তার সহযোগী ল্যাব টেকনিশিয়ান ও ক্রাফট ইনস্ট্রাক্টর জাহিদুর রহমান স্বেচ্ছাচারিতা দুর্নীতি এবং অধ্যক্ষের স্বাক্ষর জাল করার মত অপরাধে জড়িত থাকার প্রমান মিলে। জুনিয়ার ইনস্ট্রাক্টর ও ইনস্ট্রাক্টর হিসাবে দায়িত্ব পালনকালে হারুন তার ক্ষমতার অপব্যবহার করে দীর্ঘ সময় ধরে সিভিল বিভাগের টেস্টিং অফিসার ও মেইনটেনেন্স অফিসারের দায়িত্ব পালন করেন।

এছাড়াও হারুনের স্বেচ্ছাচারিতা এবং সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগের ভিত্তিতে সিভিল বিভাগ থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। সেই কমিটির তদন্তেও অনিয়মের দায়ে জাহিদুর রহমানকে টেস্টিং ল্যাব থেকে অন্য ল্যাবে স্থানান্তরের জন্য অধ্যক্ষকে সুপারিশ করা হয়। কিন্তু বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে হারুনের প্রভাবজনিত কারণে বিষয়টি আর এগোয়িনী। উপরন্ত ওই সময়ে কথিত মুক্তিযোদ্ধা কোটাযর সুবিদায় স্ত্রীসহ পরিবারের ছয় জন সদস্যের চাকরি বাগিয়ে নেয় হারুন অর রশিদ।

বিকাশ কেলেঙ্কারীসহ নানা অভিযোগে অভিযুক্ত হারুন অর রশিদ সার্ভে ইনস্টিটিউটে সংযুক্তিতে বদলীর পর উঠে আসে নানা অনিয়মের ফিরিস্তি। কিন্তু অদৃশ্য কারণে তার কোন প্রতিকার না হয়ে পুনরায় বগুড়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে এনে অবৈধ পন্থায় অনিয়মের মাধ্যমে চীফ ইনস্ট্রাক্টর (টেক), সিভিল,িএবং বিভাগীয় প্রধান বানানোর চেষ্টা করা হচ্ছে যা পুরোটাই বিধি বহির্ভূত। বিষয়টি পুরো ইনস্টিটিউটে আলোচনার কেন্দ্রবিন্ধু হলেও প্রশাসন নিরব। এ বিষয়ে আরো অনুসন্ধান অব্যাহত আছে। বিস্তারিত আসছে আগামী পর্বে..

ট্যাগ:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে

ছয় দিন ধরে বন্ধ চার চা বাগান, ডিসির কাছে শ্রমিকদের স্মারকলিপি

ফ্যাসিস্ট সরকারের সুবিধাভোগী হারুন অর রশিদের খুঁটির জোর কোথায়!

আপডেটের সময় : ১২:৪৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৫

অপরাধ প্রতিবেদক : বগুড়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে সদ্য যোগদানকৃত চীফ ইনস্ট্রাক্টর (টেক), সিভিল, হারুন অর রশিদের দুর্নীতি অসাধাচরণের অভিযোগে অভিযুক্ত। অনিয়ম তেলবাজিতে পটু হারুন অর রশিদ ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে যেমন করে সুবিধা ভোগ করতো খোলস পাল্টে বর্তমানেও তেমনটি করে যাচ্ছে। অনিয়ম দুর্নীতির মাধ্যমে সম্পদও আয়ত্ব করেছেন চোখে পড়ার মত। হয়েছেন একাধিক দামি ফ্ল্যাট ও ভূ-সম্পত্বির মালিক। অবৈধ প্রভাবে সে সবসময়ই পদায়নে ও অনৈতিক সুবিধায় সবসময় এগিয়ে ছিল এবং এখনও আছে। সেই সাথে সরকারের প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় থাকার কথা প্রকাশ করেন অকপটে। তার অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতা দিন দিন বৃদ্ধিতে বর্তমান অধ্যক্ষ সহ ইনস্টিটিউটের এক শ্রেনীর দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার হাত রয়েছে বলেও বলে গুঞ্জন রয়েছে।

সিভিল বিভাগ কর্তৃক পরিচালিত একটি তদন্ত রিপোর্ট অনুযায়ী হারুন এবং তার সহযোগী ল্যাব টেকনিশিয়ান ও ক্রাফট ইনস্ট্রাক্টর জাহিদুর রহমান স্বেচ্ছাচারিতা দুর্নীতি এবং অধ্যক্ষের স্বাক্ষর জাল করার মত অপরাধে জড়িত থাকার প্রমান মিলে। জুনিয়ার ইনস্ট্রাক্টর ও ইনস্ট্রাক্টর হিসাবে দায়িত্ব পালনকালে হারুন তার ক্ষমতার অপব্যবহার করে দীর্ঘ সময় ধরে সিভিল বিভাগের টেস্টিং অফিসার ও মেইনটেনেন্স অফিসারের দায়িত্ব পালন করেন।

এছাড়াও হারুনের স্বেচ্ছাচারিতা এবং সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগের ভিত্তিতে সিভিল বিভাগ থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। সেই কমিটির তদন্তেও অনিয়মের দায়ে জাহিদুর রহমানকে টেস্টিং ল্যাব থেকে অন্য ল্যাবে স্থানান্তরের জন্য অধ্যক্ষকে সুপারিশ করা হয়। কিন্তু বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে হারুনের প্রভাবজনিত কারণে বিষয়টি আর এগোয়িনী। উপরন্ত ওই সময়ে কথিত মুক্তিযোদ্ধা কোটাযর সুবিদায় স্ত্রীসহ পরিবারের ছয় জন সদস্যের চাকরি বাগিয়ে নেয় হারুন অর রশিদ।

বিকাশ কেলেঙ্কারীসহ নানা অভিযোগে অভিযুক্ত হারুন অর রশিদ সার্ভে ইনস্টিটিউটে সংযুক্তিতে বদলীর পর উঠে আসে নানা অনিয়মের ফিরিস্তি। কিন্তু অদৃশ্য কারণে তার কোন প্রতিকার না হয়ে পুনরায় বগুড়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে এনে অবৈধ পন্থায় অনিয়মের মাধ্যমে চীফ ইনস্ট্রাক্টর (টেক), সিভিল,িএবং বিভাগীয় প্রধান বানানোর চেষ্টা করা হচ্ছে যা পুরোটাই বিধি বহির্ভূত। বিষয়টি পুরো ইনস্টিটিউটে আলোচনার কেন্দ্রবিন্ধু হলেও প্রশাসন নিরব। এ বিষয়ে আরো অনুসন্ধান অব্যাহত আছে। বিস্তারিত আসছে আগামী পর্বে..