০২:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উদ্বোধনের একদিন পরে মওলানা ভাসানী সেতুর বৈদ্যুতিক ক্যাবল চুরি

রুবেল মিয়া, চিলমারী কুড়িগ্রাম : গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রামের মানুষের দীর্ঘ প্রতীক্ষার প্রতীক ‘মাওলানা ভাসানী সেতু’ উদ্বোধনের মাত্র একদিন পরই চুরি হয়েছে প্রায় ৩০০ মিটার বৈদ্যুতিক ক্যাবল। ফলে সন্ধ্যার পর অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে ৯২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই সেতু।
বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) বিকেলে সেতুর ল্যাম্পপোস্টে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার সময় বাতি না জ্বলায় ক্যাবল চুরির বিষয়টি ধরা পড়ে। উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান মিলন রাত সাড়ে ১০টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, হরিপুর পয়েন্ট থেকে সংযোগ নেওয়া বৈদ্যুতিক তার কেটে নিয়েছে চোরচক্র, ফলে বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করা সম্ভব হয়নি।
১৪৯০ মিটার দীর্ঘ এই সেতুটি বাংলাদেশ সরকার, সৌদি ফান্ড ফর ডেভেলপমেন্ট এবং ওপেক ফান্ড ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টের অর্থায়নে নির্মিত। ৯.৬ মিটার প্রস্থের এই সেতুতে ২টি লেন ও ৩১টি স্প্যান রয়েছে। প্রকল্পে সংযোগ সড়ক ও নদী শাসনের জন্য প্রায় ১৩৩ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়।
উদ্বোধনের পরদিনই ক্যাবল চুরির ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকে হতাশা প্রকাশ করে লিখেছেন, “সামান্য ক্যাবলের লোভ সামলাতে পারলাম না!” কেউ কেউ মন্তব্য করেছেন, “এভাবে চললে হয়তো সেতুর রডও চুরি হবে!”
বুধবার (২০ আগস্ট) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া সেতুটির উদ্বোধন করেন। স্থানীয়রা এ ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

ট্যাগ:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে

ছয় দিন ধরে বন্ধ চার চা বাগান, ডিসির কাছে শ্রমিকদের স্মারকলিপি

উদ্বোধনের একদিন পরে মওলানা ভাসানী সেতুর বৈদ্যুতিক ক্যাবল চুরি

আপডেটের সময় : ০৩:১৬:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ অগাস্ট ২০২৫

রুবেল মিয়া, চিলমারী কুড়িগ্রাম : গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রামের মানুষের দীর্ঘ প্রতীক্ষার প্রতীক ‘মাওলানা ভাসানী সেতু’ উদ্বোধনের মাত্র একদিন পরই চুরি হয়েছে প্রায় ৩০০ মিটার বৈদ্যুতিক ক্যাবল। ফলে সন্ধ্যার পর অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে ৯২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই সেতু।
বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) বিকেলে সেতুর ল্যাম্পপোস্টে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার সময় বাতি না জ্বলায় ক্যাবল চুরির বিষয়টি ধরা পড়ে। উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান মিলন রাত সাড়ে ১০টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, হরিপুর পয়েন্ট থেকে সংযোগ নেওয়া বৈদ্যুতিক তার কেটে নিয়েছে চোরচক্র, ফলে বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করা সম্ভব হয়নি।
১৪৯০ মিটার দীর্ঘ এই সেতুটি বাংলাদেশ সরকার, সৌদি ফান্ড ফর ডেভেলপমেন্ট এবং ওপেক ফান্ড ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টের অর্থায়নে নির্মিত। ৯.৬ মিটার প্রস্থের এই সেতুতে ২টি লেন ও ৩১টি স্প্যান রয়েছে। প্রকল্পে সংযোগ সড়ক ও নদী শাসনের জন্য প্রায় ১৩৩ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়।
উদ্বোধনের পরদিনই ক্যাবল চুরির ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকে হতাশা প্রকাশ করে লিখেছেন, “সামান্য ক্যাবলের লোভ সামলাতে পারলাম না!” কেউ কেউ মন্তব্য করেছেন, “এভাবে চললে হয়তো সেতুর রডও চুরি হবে!”
বুধবার (২০ আগস্ট) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া সেতুটির উদ্বোধন করেন। স্থানীয়রা এ ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।