০১:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দীর্ঘ ৬ বছরেও শেষ হয়নি বিদ্যালয় ভবনের নির্মাণ ও সংস্কারের কাজ

আসাদুর রহমান হাবিব, ফুলবাড়ী, দিনাজপুর : দিনাজপুর জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার বেতদিঘী ইউনিয়নে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর (ইইডি) দিনাজপুর জোন এর বাস্তবায়নে বেতদিঘী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৪ তলা ভবনের নির্মাণ ও সংস্কারের কাজ দীর্ঘ ৬ বছরেও শেষ হয়নি।
এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে দিনাজপুর শিক্ষা অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে সাবেক আওয়ামীলীগ সরকারের দিনাজপুর ৫ আসনের এমপি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মরহুম আলহাজ্ব এ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার ১০ ভাদ্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ ২০১৯ সালের ২৫-শে আগষ্ট বিদ্যালয়টির ৪ তলা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর (ইইডি) জোন এর দায়িত্ব ফুলবাড়ী অতিরিক্ত সহকারী প্রকৌশলী ফরহাদ হোসেনের সাথে কথা বললে তিনি জানান শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর (ইইডি) এর বাস্তবায়নে ঠিকাদারের কনস্ট্রাকশনের মাধ্যমে ভবনটির নির্মাণের কাজ শুরু করা হয় ভবন নির্মাণ ধীরগতিতে হওয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি জানান আমি দায়িত্বে আসার আগে কি কারণে দেরি হয়েছে ঠিক জানিনা তবে ঠিকাদারের ভাগিনা সোহাগ হোসেনের দায়িত্বে কাজটি চলমান রয়েছে।
নির্মাণাধীন ভবনের বিলের টাকা বকেয়া বা ভবনের কাজের চেয়ে টাকার পরিমাণ কম এই কারণে ধীরগতিতে ভবনের কাজ হওয়ার কথা বললে তিনি জানান লোকজনের জন্য একটু সময় লেগেছে আর লাখ দশেক টাকা পেতে পারে কাজ চলমান রয়েছে আগামী এক মাসের মধ্যে ভবনটির সম্পুর্ণ কাজ শেষ করে হস্তান্তর করা হবে।
এ বিষয়ে বেতদিঘী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের সাথে কথা বললে তিনি জানান বিদ্যালয় ভবনটির নির্মাণের কাজ শুরু থেকে ধীরগতিতে থেমে থেমে কাজ করা হয় হাত বদলের কারণে আলাদা আলাদা লোকজন নিয়ে আসা হয় চলমান কাজ বন্ধ থাকায় কাজের বিষয়ে দায়িত্বে থাকা সোহাগ হোসেন কে ফোন দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেননা
এ বিষয়ে প্রকৌশলী ফরহাদ হোসেনের সাথে কথা বললেও কাজের গতি বদলায় না। বিদ্যালয় ভবনের বিষয়ে শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন আমরা সেই আগের পুরাতন ঘরগুলোতে ক্লাস করছি প্রায় ৬-৭ বছর ধরে কাজ করছে আমাদের বিদায় নেয়ার পালা আজও আমরা নতুন ভবনে ক্লাস করতে পারছিনা এ বিষয়ে ভবন নির্মাণ ও সংস্কারের দায়িত্বে থাকা সোহাগ হোসেনের সাথে কথা বলতে চায়লে তিনি ফোন রিসিভ করেননা।

ট্যাগ:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে

ছয় দিন ধরে বন্ধ চার চা বাগান, ডিসির কাছে শ্রমিকদের স্মারকলিপি

দীর্ঘ ৬ বছরেও শেষ হয়নি বিদ্যালয় ভবনের নির্মাণ ও সংস্কারের কাজ

আপডেটের সময় : ১১:৩৫:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫

আসাদুর রহমান হাবিব, ফুলবাড়ী, দিনাজপুর : দিনাজপুর জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার বেতদিঘী ইউনিয়নে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর (ইইডি) দিনাজপুর জোন এর বাস্তবায়নে বেতদিঘী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৪ তলা ভবনের নির্মাণ ও সংস্কারের কাজ দীর্ঘ ৬ বছরেও শেষ হয়নি।
এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে দিনাজপুর শিক্ষা অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে সাবেক আওয়ামীলীগ সরকারের দিনাজপুর ৫ আসনের এমপি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মরহুম আলহাজ্ব এ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার ১০ ভাদ্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ ২০১৯ সালের ২৫-শে আগষ্ট বিদ্যালয়টির ৪ তলা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর (ইইডি) জোন এর দায়িত্ব ফুলবাড়ী অতিরিক্ত সহকারী প্রকৌশলী ফরহাদ হোসেনের সাথে কথা বললে তিনি জানান শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর (ইইডি) এর বাস্তবায়নে ঠিকাদারের কনস্ট্রাকশনের মাধ্যমে ভবনটির নির্মাণের কাজ শুরু করা হয় ভবন নির্মাণ ধীরগতিতে হওয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি জানান আমি দায়িত্বে আসার আগে কি কারণে দেরি হয়েছে ঠিক জানিনা তবে ঠিকাদারের ভাগিনা সোহাগ হোসেনের দায়িত্বে কাজটি চলমান রয়েছে।
নির্মাণাধীন ভবনের বিলের টাকা বকেয়া বা ভবনের কাজের চেয়ে টাকার পরিমাণ কম এই কারণে ধীরগতিতে ভবনের কাজ হওয়ার কথা বললে তিনি জানান লোকজনের জন্য একটু সময় লেগেছে আর লাখ দশেক টাকা পেতে পারে কাজ চলমান রয়েছে আগামী এক মাসের মধ্যে ভবনটির সম্পুর্ণ কাজ শেষ করে হস্তান্তর করা হবে।
এ বিষয়ে বেতদিঘী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের সাথে কথা বললে তিনি জানান বিদ্যালয় ভবনটির নির্মাণের কাজ শুরু থেকে ধীরগতিতে থেমে থেমে কাজ করা হয় হাত বদলের কারণে আলাদা আলাদা লোকজন নিয়ে আসা হয় চলমান কাজ বন্ধ থাকায় কাজের বিষয়ে দায়িত্বে থাকা সোহাগ হোসেন কে ফোন দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেননা
এ বিষয়ে প্রকৌশলী ফরহাদ হোসেনের সাথে কথা বললেও কাজের গতি বদলায় না। বিদ্যালয় ভবনের বিষয়ে শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন আমরা সেই আগের পুরাতন ঘরগুলোতে ক্লাস করছি প্রায় ৬-৭ বছর ধরে কাজ করছে আমাদের বিদায় নেয়ার পালা আজও আমরা নতুন ভবনে ক্লাস করতে পারছিনা এ বিষয়ে ভবন নির্মাণ ও সংস্কারের দায়িত্বে থাকা সোহাগ হোসেনের সাথে কথা বলতে চায়লে তিনি ফোন রিসিভ করেননা।