১০:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জনগণের আবেগ-অনুভূতি, চোখের ভাষা “দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ”

সারোয়ার ওয়াদুদ চৌধুরী : ভয় করলে আপনি শেষ, সাহস করলে আপনিই বাংলাদেশ। দৃষ্টিভঙ্গি বদলান, জীবন বদলে যাবে ইনশাআল্লাহ।
বৃটিশ বিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ, সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনসহ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের নিবেদিত দেশপ্রেমিক শহীদদের রক্তে রঞ্জিত বাংলাদেশে জাতীয় বেঈমান, মুনাফেকদের চক্রান্ত অব‍্যাহত।
জাতির দুর্ভাগ্য (নির্লজ্জ, বেহায়া, সুবিধাবাদী, সুযোগ সন্ধানী, বহুরূপী, চাটুকার, তাবেদার, ব‍্যবসায়ী দুর্বৃত্ত, আমলা দুর্বৃত্ত, রাজনৈতিক দুর্বৃত্ত)—সার্টিফিকেটধারী শিক্ষিত দাবিদার মুনাফেকদের সংখ্যা অনেক বেশি!!
পৃথিবীর ক্ষনস্হায়ী স্বার্থ, ক্ষমতার জন্য এতো অভিনয়, এতো সহিংসতা, এতো মিথ্যাচার———
জাতীয় বেঈমান, মুনাফেক, লুটেরা, সুযোগ সন্ধানী, আমলা দুর্বৃত্ত, ব‍্যবসায়িক দুর্বৃত্ত, রাজনৈতিক দুর্বৃত্তদের রক্ষার আপোষ-মিমাংসা দেশের মজলুম জনগণ মেনে নেবে না।
দুর্নীতি বিরোধী জাতীয় সমন্বয় কমিটি বাংলাদেশের ৮৭% মজলুম জনগণের একমাত্র আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে মানব সৃষ্টির মহান উদ্দেশ্য প্রতিপালনে বাবা আদম ও মা হাওয়া (আঃ) থেকে সৃষ্ট সকল ধর্মের অনুশাসন–
“দেশপ্রেম ইমানের অঙ্গ”
“দেশকে গড়তে হলে, সবার আগে নিজকে গড়ো”
“নিজকে শুদ্ধ করি, দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়ি”
“দুর্নীতি নিজে করবোনা, কাউকে দুর্নীতি করতে দিবোনা”
পরকালীন মুক্তির জন্য দেশের এই ক্রান্তিকালে নিজ পরিবার, আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী, পরিচিত সকল দুর্নীতিবাজদের চরম ঘৃণা করা, দুর্নীতিবাজদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করা প্রতিটি মানুষের ঈমানী দায়িত্ব।
মজলুম জনগণের একমাত্র আশা-আকাঙ্ক্ষা দুর্নীতিমুক্ত বিশ্বমানের বাংলাদেশ গড়ে তোলার অন্তরায় হচ্ছে দ্বিধা-দ্বন্দ, বিভক্তি-বিভ্রান্তি, অপব্যাখ্যা-অপপ্রচার, পারস্পরিক কাঁদা ছোড়াছুঁড়ি ও দলীয় কোন্দল, জেদ-অহংকার, হিংসা-বিদ্বেষ।
বেঈমানী আমাদের ঈমানের নূরকে ম্লান করে দিয়েছে। স্বার্থপরতা মানবজাতির নিকৃষ্টতম অপরাধ।
লোভ, মোহ, স্বার্থ, আত্মপ্রীতি, স্বজনপ্রীতি, আত্মগরিমা, আত্মগৌরব, আত্মঅহংকার, প্রভৃতি রোগে অধিকাংশ মানুষ আক্রান্ত। সমস্ত শরীরে পঁচন ধরেছে, যার দুর্গন্ধ গোটা সমাজ ও রাষ্ট্রে ছড়িয়ে পড়ছে।
সংস্কার বিরোধীগণ নিজ দল সংস্কারে চরমভাবে পর্যুদস্ত। বিশৃঙ্খলাপূর্ণ ও ভয়াবহ পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণের একমাত্র উপায় রাজনৈতিক ও অরাজনৈতিক বিভিন্ন শ্রেণী পেশার দায়িত্বশীল দেশপ্রেমিকদের বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তোলা।
বারবার জীবন দিয়ে স্বৈরশাসক পরিবর্তন করার চেয়ে পুরো শাসন ব‍্যবস্হার সংস্কার করা অধিক শ্রেয়। এমনভাবে সংস্কার ও পরিবর্তন করতে হবে যাতে স্বৈরশাসক তৈরি হতে না পারে।
মাত্র ১৩% জাতীয় বেঈমান, সুযোগ সন্ধানী, দালাল, চাটুকার, লুটেরা, মাফিয়া-সিন্ডিকেট, অন্ধ দলদাস, চাঁন্দাবাজ, ধান্দাবাজ, দুর্বৃত্তদের থেকে দেশ বাঁচাতে ৮৭% মজলুম জনগণকে দুর্নীতিমুক্ত বিশ্বমানের বাংলাদেশ গড়তে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলা জরুরি।
চিরদিনের জন্য বর্তমান ও ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য স্বৈরশাসকমুক্ত নৈতিক মানবিক কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় দুর্নীতি বিরোধী জাতীয় সমম্বয় কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বিচারপতি মরহুম মোহাম্মদ আব্দুর রউফ প্রণীত জাতির মুক্তির সনদ ১১ দফাঃ-
১. দুর্নীতিবাজদের কঠোর শাস্তি বিধান কার্যকর করার জন্য সরকারের প্রভাব মুক্ত সম্পুর্ণ স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন পূর্নগঠন করণ।
২. সরকার পদ্ধতি ও রাজনৈতিক দলের সংস্কার কার্যকর করণ।
৩. রাষ্ট্রের সকল নাগরিকগণের ন‍্যায় বিচার নিশ্চিত করনের জন্য সম্পূর্ণ স্বাধীন আইন ও বিচার বিভাগ প্রতিষ্ঠা, এবং সৎ সাহসী, সত্যবাদী, দেশপ্রেমিকদের বিচার বিভাগে নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিধান কার্যকর করণ।
৪. শিক্ষা ব্যবস্থার টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে জাতীয় শিক্ষা সংস্কার কমিশন গঠন কার্যকর করণ।
৫. সংবিধান সংশোধন ও সংস্কার কার্যকর করণ।
৬. বৃটিশ বিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সঠিক ইতিহাস পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্তকরণ কার্যকর করণ।
৭. রাষ্ট্রের মহামান্য রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সকল নাগরিকের স্বনামে-বেনামে সম্পদের হিসাব জনসমক্ষে প্রকাশ কার্যকর করণ।
৮. ভোটার ক্লাবের মাধ্যমে সম্পূর্ণ প্রশাসনমুক্ত স্বচ্ছ ভোটাধিকার প্রয়োগ পদ্ধতিসহ স্বাধীন নির্বাচন কমিশন সংস্কার ও পুনর্গঠন কার্যকর করণ।
৯. স্বাধীন পাবলিক সার্ভিস কমিশন সংস্কার ও পূর্নগঠন কার্যকর করণ।
১০. রাষ্ট্রীয় ব‍্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহ দুর্নীতিমুক্ত করাসহ ব‍্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইকে সংস্কার ও বিশ্বমানের গঠন কার্যকর করণ।
১১. গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও পত্রিকা মাফিয়া-সিন্ডিকেটমুক্ত করে সৎ সাহসী, সত্যবাদী, দায়িত্বশীল ও নিবেদিত দেশপ্রেমিক গণমাধ্যম কর্মীদের নিকট হস্তান্তরের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ পূর্বক অনুসন্ধানী সাংবাদিকগণের সুযোগ-সুবিধা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ।
মিথ্যা পরিহার করে বিশৃঙ্খলাপূর্ণ ও ভয়াবহ পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণের জন্য দলদাসমুক্ত সৎ সাহসী, সত্যবাদী, সকল নিবেদিত দেশপ্রেমিক জনগণকে দুর্নীতি বিরোধী জাতীয় সমম্বয় কমিটির সাথে যুক্ত হওয়ার আন্তরিক আহ্বান জানাচ্ছি।
হে মহান স্রষ্টা, হে দয়াময় মুনাফেকদের চক্রান্ত থেকে বাংলাদেশকে রক্ষা করুন, আমিন।

সারোয়ার ওয়াদুদ চৌধুরী
সাধারণ সম্পাদক ও মুখপাত্র
দুর্নীতি বিরোধী জাতীয় সমম্বয় কমিটি।

ট্যাগ:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে

ছয় দিন ধরে বন্ধ চার চা বাগান, ডিসির কাছে শ্রমিকদের স্মারকলিপি

জনগণের আবেগ-অনুভূতি, চোখের ভাষা “দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ”

আপডেটের সময় : ১২:৫৭:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

সারোয়ার ওয়াদুদ চৌধুরী : ভয় করলে আপনি শেষ, সাহস করলে আপনিই বাংলাদেশ। দৃষ্টিভঙ্গি বদলান, জীবন বদলে যাবে ইনশাআল্লাহ।
বৃটিশ বিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ, সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনসহ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের নিবেদিত দেশপ্রেমিক শহীদদের রক্তে রঞ্জিত বাংলাদেশে জাতীয় বেঈমান, মুনাফেকদের চক্রান্ত অব‍্যাহত।
জাতির দুর্ভাগ্য (নির্লজ্জ, বেহায়া, সুবিধাবাদী, সুযোগ সন্ধানী, বহুরূপী, চাটুকার, তাবেদার, ব‍্যবসায়ী দুর্বৃত্ত, আমলা দুর্বৃত্ত, রাজনৈতিক দুর্বৃত্ত)—সার্টিফিকেটধারী শিক্ষিত দাবিদার মুনাফেকদের সংখ্যা অনেক বেশি!!
পৃথিবীর ক্ষনস্হায়ী স্বার্থ, ক্ষমতার জন্য এতো অভিনয়, এতো সহিংসতা, এতো মিথ্যাচার———
জাতীয় বেঈমান, মুনাফেক, লুটেরা, সুযোগ সন্ধানী, আমলা দুর্বৃত্ত, ব‍্যবসায়িক দুর্বৃত্ত, রাজনৈতিক দুর্বৃত্তদের রক্ষার আপোষ-মিমাংসা দেশের মজলুম জনগণ মেনে নেবে না।
দুর্নীতি বিরোধী জাতীয় সমন্বয় কমিটি বাংলাদেশের ৮৭% মজলুম জনগণের একমাত্র আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে মানব সৃষ্টির মহান উদ্দেশ্য প্রতিপালনে বাবা আদম ও মা হাওয়া (আঃ) থেকে সৃষ্ট সকল ধর্মের অনুশাসন–
“দেশপ্রেম ইমানের অঙ্গ”
“দেশকে গড়তে হলে, সবার আগে নিজকে গড়ো”
“নিজকে শুদ্ধ করি, দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়ি”
“দুর্নীতি নিজে করবোনা, কাউকে দুর্নীতি করতে দিবোনা”
পরকালীন মুক্তির জন্য দেশের এই ক্রান্তিকালে নিজ পরিবার, আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী, পরিচিত সকল দুর্নীতিবাজদের চরম ঘৃণা করা, দুর্নীতিবাজদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করা প্রতিটি মানুষের ঈমানী দায়িত্ব।
মজলুম জনগণের একমাত্র আশা-আকাঙ্ক্ষা দুর্নীতিমুক্ত বিশ্বমানের বাংলাদেশ গড়ে তোলার অন্তরায় হচ্ছে দ্বিধা-দ্বন্দ, বিভক্তি-বিভ্রান্তি, অপব্যাখ্যা-অপপ্রচার, পারস্পরিক কাঁদা ছোড়াছুঁড়ি ও দলীয় কোন্দল, জেদ-অহংকার, হিংসা-বিদ্বেষ।
বেঈমানী আমাদের ঈমানের নূরকে ম্লান করে দিয়েছে। স্বার্থপরতা মানবজাতির নিকৃষ্টতম অপরাধ।
লোভ, মোহ, স্বার্থ, আত্মপ্রীতি, স্বজনপ্রীতি, আত্মগরিমা, আত্মগৌরব, আত্মঅহংকার, প্রভৃতি রোগে অধিকাংশ মানুষ আক্রান্ত। সমস্ত শরীরে পঁচন ধরেছে, যার দুর্গন্ধ গোটা সমাজ ও রাষ্ট্রে ছড়িয়ে পড়ছে।
সংস্কার বিরোধীগণ নিজ দল সংস্কারে চরমভাবে পর্যুদস্ত। বিশৃঙ্খলাপূর্ণ ও ভয়াবহ পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণের একমাত্র উপায় রাজনৈতিক ও অরাজনৈতিক বিভিন্ন শ্রেণী পেশার দায়িত্বশীল দেশপ্রেমিকদের বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তোলা।
বারবার জীবন দিয়ে স্বৈরশাসক পরিবর্তন করার চেয়ে পুরো শাসন ব‍্যবস্হার সংস্কার করা অধিক শ্রেয়। এমনভাবে সংস্কার ও পরিবর্তন করতে হবে যাতে স্বৈরশাসক তৈরি হতে না পারে।
মাত্র ১৩% জাতীয় বেঈমান, সুযোগ সন্ধানী, দালাল, চাটুকার, লুটেরা, মাফিয়া-সিন্ডিকেট, অন্ধ দলদাস, চাঁন্দাবাজ, ধান্দাবাজ, দুর্বৃত্তদের থেকে দেশ বাঁচাতে ৮৭% মজলুম জনগণকে দুর্নীতিমুক্ত বিশ্বমানের বাংলাদেশ গড়তে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলা জরুরি।
চিরদিনের জন্য বর্তমান ও ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য স্বৈরশাসকমুক্ত নৈতিক মানবিক কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় দুর্নীতি বিরোধী জাতীয় সমম্বয় কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বিচারপতি মরহুম মোহাম্মদ আব্দুর রউফ প্রণীত জাতির মুক্তির সনদ ১১ দফাঃ-
১. দুর্নীতিবাজদের কঠোর শাস্তি বিধান কার্যকর করার জন্য সরকারের প্রভাব মুক্ত সম্পুর্ণ স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন পূর্নগঠন করণ।
২. সরকার পদ্ধতি ও রাজনৈতিক দলের সংস্কার কার্যকর করণ।
৩. রাষ্ট্রের সকল নাগরিকগণের ন‍্যায় বিচার নিশ্চিত করনের জন্য সম্পূর্ণ স্বাধীন আইন ও বিচার বিভাগ প্রতিষ্ঠা, এবং সৎ সাহসী, সত্যবাদী, দেশপ্রেমিকদের বিচার বিভাগে নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিধান কার্যকর করণ।
৪. শিক্ষা ব্যবস্থার টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে জাতীয় শিক্ষা সংস্কার কমিশন গঠন কার্যকর করণ।
৫. সংবিধান সংশোধন ও সংস্কার কার্যকর করণ।
৬. বৃটিশ বিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সঠিক ইতিহাস পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্তকরণ কার্যকর করণ।
৭. রাষ্ট্রের মহামান্য রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সকল নাগরিকের স্বনামে-বেনামে সম্পদের হিসাব জনসমক্ষে প্রকাশ কার্যকর করণ।
৮. ভোটার ক্লাবের মাধ্যমে সম্পূর্ণ প্রশাসনমুক্ত স্বচ্ছ ভোটাধিকার প্রয়োগ পদ্ধতিসহ স্বাধীন নির্বাচন কমিশন সংস্কার ও পুনর্গঠন কার্যকর করণ।
৯. স্বাধীন পাবলিক সার্ভিস কমিশন সংস্কার ও পূর্নগঠন কার্যকর করণ।
১০. রাষ্ট্রীয় ব‍্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহ দুর্নীতিমুক্ত করাসহ ব‍্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইকে সংস্কার ও বিশ্বমানের গঠন কার্যকর করণ।
১১. গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও পত্রিকা মাফিয়া-সিন্ডিকেটমুক্ত করে সৎ সাহসী, সত্যবাদী, দায়িত্বশীল ও নিবেদিত দেশপ্রেমিক গণমাধ্যম কর্মীদের নিকট হস্তান্তরের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ পূর্বক অনুসন্ধানী সাংবাদিকগণের সুযোগ-সুবিধা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ।
মিথ্যা পরিহার করে বিশৃঙ্খলাপূর্ণ ও ভয়াবহ পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণের জন্য দলদাসমুক্ত সৎ সাহসী, সত্যবাদী, সকল নিবেদিত দেশপ্রেমিক জনগণকে দুর্নীতি বিরোধী জাতীয় সমম্বয় কমিটির সাথে যুক্ত হওয়ার আন্তরিক আহ্বান জানাচ্ছি।
হে মহান স্রষ্টা, হে দয়াময় মুনাফেকদের চক্রান্ত থেকে বাংলাদেশকে রক্ষা করুন, আমিন।

সারোয়ার ওয়াদুদ চৌধুরী
সাধারণ সম্পাদক ও মুখপাত্র
দুর্নীতি বিরোধী জাতীয় সমম্বয় কমিটি।