১১:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

একীভূত হচ্ছে ৬ ব্যাংক

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : ১০:২১:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ মে ২০২৫
  • ১৫০ টাইম ভিউ

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অনিয়ম ও লুটপাটে ক্ষতিগ্রস্ত ৬ টি বেসরকারি ব্যাংককে একীভূত করে সরকারের নিয়ন্ত্রণে আনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। সোমবার গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাতকারে এ তথ্য জানান তিনি।

একীভূত হতে যাওয়া ব্যাংকগুলোর মধ্যে রয়েছে- ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক এবং ইউনিয়ন ব্যাংক।

তবে ব্যাংকগুলোকে স্থায়ীভাবে সরকারিকরণ করা হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর। তিনি বলেন, এগুলো দিয়ে আমরা একটা নতুন ব্যাংক করব। বাংলাদেশ ব্যাংক তো ইতিমধ্যে তাদের লিকুইডিটি সাপোর্ট (তারল্য সহায়তা) দিয়ে বাঁচিয়ে রেখেছে। তো রিঅর্গানাইজেশনের (পুর্নগঠন) সময়টাতে আমরা এটার মালিকানা রাখব।’ তিনি আরো বলেন, ‘এটা একটা সাময়িক ব্যবস্থা।

পরে সেটাকে হ্যান্ডওভার করে দেওয়া হবে নতুন স্ট্রাটেজিক ইনভেস্টরদের (কৌশলগত বিনিয়োগকারীদের) হাতে। এতে ব্যাংকগুলোর গ্রাহকরা উপকৃত হবেন বলে জানিয়েছেন গভর্নর। বিনিয়োগকারী যারাই নিবেন তারা এটাকে সুন্দরভাবে চালিয়ে নিতে পারবেন…আমরা চাই প্রত্যেকটা গ্রাহক তাদের টাকা পাবে। তাদের কোনো লস (ক্ষতি) হবে না।

ট্যাগ:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে

ছয় দিন ধরে বন্ধ চার চা বাগান, ডিসির কাছে শ্রমিকদের স্মারকলিপি

একীভূত হচ্ছে ৬ ব্যাংক

আপডেটের সময় : ১০:২১:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ মে ২০২৫

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অনিয়ম ও লুটপাটে ক্ষতিগ্রস্ত ৬ টি বেসরকারি ব্যাংককে একীভূত করে সরকারের নিয়ন্ত্রণে আনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। সোমবার গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাতকারে এ তথ্য জানান তিনি।

একীভূত হতে যাওয়া ব্যাংকগুলোর মধ্যে রয়েছে- ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক এবং ইউনিয়ন ব্যাংক।

তবে ব্যাংকগুলোকে স্থায়ীভাবে সরকারিকরণ করা হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর। তিনি বলেন, এগুলো দিয়ে আমরা একটা নতুন ব্যাংক করব। বাংলাদেশ ব্যাংক তো ইতিমধ্যে তাদের লিকুইডিটি সাপোর্ট (তারল্য সহায়তা) দিয়ে বাঁচিয়ে রেখেছে। তো রিঅর্গানাইজেশনের (পুর্নগঠন) সময়টাতে আমরা এটার মালিকানা রাখব।’ তিনি আরো বলেন, ‘এটা একটা সাময়িক ব্যবস্থা।

পরে সেটাকে হ্যান্ডওভার করে দেওয়া হবে নতুন স্ট্রাটেজিক ইনভেস্টরদের (কৌশলগত বিনিয়োগকারীদের) হাতে। এতে ব্যাংকগুলোর গ্রাহকরা উপকৃত হবেন বলে জানিয়েছেন গভর্নর। বিনিয়োগকারী যারাই নিবেন তারা এটাকে সুন্দরভাবে চালিয়ে নিতে পারবেন…আমরা চাই প্রত্যেকটা গ্রাহক তাদের টাকা পাবে। তাদের কোনো লস (ক্ষতি) হবে না।