০২:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজশাহীর উন্নয়নে কি গাছ-পাখিদের ঠাঁই নেই

সম্প্রতি রাজশাহীর প্রকৃতি ও পরিবেশবাদী সচেতন নাগরিক সমাজ রাজশাহীতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণের জন্য সেখানকার গাছগুলো না কেটে শহীদ মিনার নির্মাণের জন্য অনুরোধ করেছিল। কিন্তু কর্তৃপক্ষ সে অনুরোধ কানে না তুলে গাছ কাটা শুরু করলে গাছকে শহীদ করে শহীদ মিনার নির্মাণে ব্যথিত ও ক্ষুব্ধ নগরবাসী প্রতিবাদে শোকসভা পর্যন্ত করেন।

তাঁরা দাবি করেন শতবর্ষী গাছ রেখে পরিবেশবান্ধব কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণের। তাঁরা বলেন, বৃক্ষশোভিত সবুজ ঘাসে মুড়িয়ে শহীদ মিনারটি নির্মাণ করা হলে এটি হতে পারে সবুজের শহর, শান্তির শহরের একটি প্রতীকী স্থাপনা। কিন্তু শেষ অবধি গাছগুলোকে বাঁচাতে পারেনি, সবার অগোচরে ভোরে কেটে ফেলা হয় শতবর্ষী প্রকাণ্ড মেহগনিসহ সব গাছ। গাছের ডালে ডালে ছিল পাখির বাসা। এগুলোর কোনোটিতে ডিমও ছিল।

একটি গাছ কাটা মানে শুধু বৃক্ষ হত্যা নয়, অনেক জীবন ও জীববৈচিত্র্য ধ্বংস করা, অনেক পাখি-পতঙ্গ-পিপীলিকার আবাসস্থল ধ্বংস করা। পরিবেশবান্ধব বা গ্রিন সিটি বলে দাবি করা শহরে এমন উদ্যোগ অনেককে আশাহত করেছে।

ট্যাগ:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে

ছয় দিন ধরে বন্ধ চার চা বাগান, ডিসির কাছে শ্রমিকদের স্মারকলিপি

রাজশাহীর উন্নয়নে কি গাছ-পাখিদের ঠাঁই নেই

আপডেটের সময় : ০৫:৪৮:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ জুন ২০২৪

সম্প্রতি রাজশাহীর প্রকৃতি ও পরিবেশবাদী সচেতন নাগরিক সমাজ রাজশাহীতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণের জন্য সেখানকার গাছগুলো না কেটে শহীদ মিনার নির্মাণের জন্য অনুরোধ করেছিল। কিন্তু কর্তৃপক্ষ সে অনুরোধ কানে না তুলে গাছ কাটা শুরু করলে গাছকে শহীদ করে শহীদ মিনার নির্মাণে ব্যথিত ও ক্ষুব্ধ নগরবাসী প্রতিবাদে শোকসভা পর্যন্ত করেন।

তাঁরা দাবি করেন শতবর্ষী গাছ রেখে পরিবেশবান্ধব কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণের। তাঁরা বলেন, বৃক্ষশোভিত সবুজ ঘাসে মুড়িয়ে শহীদ মিনারটি নির্মাণ করা হলে এটি হতে পারে সবুজের শহর, শান্তির শহরের একটি প্রতীকী স্থাপনা। কিন্তু শেষ অবধি গাছগুলোকে বাঁচাতে পারেনি, সবার অগোচরে ভোরে কেটে ফেলা হয় শতবর্ষী প্রকাণ্ড মেহগনিসহ সব গাছ। গাছের ডালে ডালে ছিল পাখির বাসা। এগুলোর কোনোটিতে ডিমও ছিল।

একটি গাছ কাটা মানে শুধু বৃক্ষ হত্যা নয়, অনেক জীবন ও জীববৈচিত্র্য ধ্বংস করা, অনেক পাখি-পতঙ্গ-পিপীলিকার আবাসস্থল ধ্বংস করা। পরিবেশবান্ধব বা গ্রিন সিটি বলে দাবি করা শহরে এমন উদ্যোগ অনেককে আশাহত করেছে।